1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
August 8, 2026, 1:15 am

টাইব্রেকারে জিতে ইতিহাস গড়ে শেষ ষোলোতে সালাহর মিশর

স্পোর্টস ডেস্ক ঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Saturday, July 4, 2026
  • 14 দেখা হয়েছে

পূর্ণ সময়ের খেলায় লড়াইটা হলো সমানে সমান। দুই দলই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে জমিয়ে তুলল ম্যাচ। সমতায় থাকা ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ হলো টাইব্রেকারে। সেখানে প্রথমেই ভুল করে বসল অস্ট্রেলিয়া। সেই সুযোগ কাজে লাগাল মিসর। ইতিহাস গড়ার মোক্ষম সুযোগ হাতছাড়া করেনি তারা। টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিল মিসর।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় শেষ ৩২- এর ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল মিসর আর অস্ট্রেলিয়া। মূল সময়ের খেলা ১-১ গোলে ড্র হওয়ায় ম্যাচ গড়ার টাইব্রেকারে। সেখানে অস্ট্রেলিয়াকে স৪-২ গোলে হারিয়েছে মিসর।

টাইব্রেকারে প্রথম শটই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় অস্ট্রেলিয়ার। হ্যারি সুটার বল পাঠান গ্যালারিতে। মিসরের হয়ে ঠিকই জাল খুঁজে নেন মোস্তাফা সাবের। দ্বিতীয় শটে অস্ট্রেলিয়ার জ্যাকসন ইরভিনও খুঁজে পান জাল। ভুল করেননি মিসরের রাবি রাবিয়াও।

চতুর্থ শটে অস্ট্রেলিয়ার আজিজ মাবিল গোল করে বাঁচিয়ে রাখেন আশা। অন্যদিকে, মিসরের বড় তারকা মোহাম্মেদ সালাহও পরাস্ত করেন গোলরক্ষককে। তবে চতুর্থ শট নিতে আসা লুইস হেরিংটনের শট গোলবারের বাধায় ব্যর্থ হলে শেষ হয় অস্ট্রেলিয়ার আশা। এরপর মিসরের আবদেলমাগুইদ গোল করলে উল্লাসে মেতে ওঠে ‘রেড ডেভিল’রা।

৯২ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে জয় পেল মিসর। ১৯৩৪ সালে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসরে নকআউট পর্বে উর্ত্তীণ হয়েছিল মিসর। তবে হাঙ্গেরির কাছে বাদ পড়তে হয় তাদের। অবশ্য তখন দল সংখ্যা কম থাকায় নিয়মেও পরিবর্তন ছিল। অবশেষে বিশ্বকাপে নকআউট ম্যাচে জয় পেল মিসর।

এর আগে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে থাকে মিসর। অস্ট্রেলিয়া কিছুটা রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়ে শুরু করে দ্রুতই চাপে পড়ে যায়। ম্যাচের ১৩তম মিনিটে ডান দিক দিয়ে দুর্দান্ত আক্রমণ গড়ে তোলে মিসর। বক্সের ভেতরে বল পেয়ে নিচু শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ইমাম আশুর। গোলরক্ষকের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া সেই শটে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মিসর।

গোলের পর মাঝমাঠে দখল নিয়ে খেলা নিয়ন্ত্রণ করে মোহাম্মদ সালাহরা। প্রথমার্ধে বল দখল, পাসিং ও আক্রমণ গড়ায় এগিয়ে ছিল তারা। অস্ট্রেলিয়া কয়েকটি আক্রমণ গড়ে তুললেও শেষ মুহূর্তে কার্যকর হতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। পিছিয়ে পড়া অস্ট্রেলিয়া আক্রমণের গতি বাড়ায়। উইং দিয়ে দ্রুত আক্রমণ এবং কর্নার আদায়ে মনোযোগ দেয় তারা। একের পর এক চাপ তৈরি করতে থাকে মিসরের রক্ষণে।

ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে আসে নাটকীয় সমতা। কর্নার থেকে আসা বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভুল করেন মিসরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানি। তার পায়ে লেগে বল সরাসরি নিজেদের জালে জড়িয়ে যায়। আত্মঘাতী সেই গোলে ১-১ সমতায় ফিরে আসে অস্ট্রেলিয়া।

সমতায় ফেরার পর দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ম্যাচে বাড়তে থাকে গতি ও উত্তেজনা। নির্ধারিত সময়ের শেষদিকে অস্ট্রেলিয়া কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও গোল করতে পারেনি। অন্যদিকে, মিশরও পাল্টা আক্রমণে বিপদ তৈরি করে, তবে ফল পায়নি।

৯০ মিনিট শেষে ম্যাচ ১-১ সমতায় থাকায় খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে দুই দলই সতর্ক ফুটবল খেলে। মাঝমাঠে লড়াই জমে ওঠে, তবে ডিফেন্স ভাঙতে ব্যর্থ হয় উভয় দলই। ফলে টাইব্রেকার অবধারিত হয়ে ওঠে।

পরিসংখ্যানে ম্যাচটি ছিল সমানতালে লড়াইয়ের প্রতিচ্ছবি। অস্ট্রেলিয়া ১৫টি শট নেয়, মিশর নেয় ১৪টি। অন টার্গেটে মিশর এগিয়ে ছিল। বল দখলেও এগিয়ে ছিল মিশর ৫৮ শতাংশ নিয়ে। পাসিংয়ে আধিপত্য ছিল তাদের, ৬৯৫টি পাস সম্পন্ন করে তারা, যেখানে অস্ট্রেলিয়ার পাস ছিল ৫০০ এর কিছু বেশি। পাসের নির্ভুলতাতেও এগিয়ে ছিল মিশর।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira