1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
September 23, 2026, 3:59 am

সীতাকুণ্ডে বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে মৎস্য খাতে কোটি টাকার বেশি ক্ষতি

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Thursday, August 13, 2026
  • 129 দেখা হয়েছে

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের তোড়ে দেড় শতাধিক পুকুরের বিপুল পরিমাণ চাষের মাছ ভেসে গেছে। উপজেলা মৎস্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্থানীয় মৎস্য চাষিদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ এক কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বন্যার পানি নেমে গেলেও চাষিরা এখনো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারেননি। বরং বন্যার পানির সঙ্গে মিশে আসা ময়লা-আবর্জনা ও দূষিত পানির কারণে পুকুরে থাকা অবশিষ্ট মাছগুলোও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। মাছ হারানোর পাশাপাশি রোগবালাইয়ের প্রাদুর্ভাবে চাষিরা এখন চরম সংকটে পড়েছেন।

মুরাদপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার মৎস্য চাষি মামুন জানান, তার পাঁচটি পুকুরই বন্যার পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। এতে তার বিপুল পরিমাণ মাছ ভেসে গেছে। পানি সরে যাওয়ার পর পুকুরের দূষিত পরিবেশের কারণে টিকে থাকা মাছগুলোও জীবাণু সংক্রমণের শিকার হচ্ছে। মামুন বলেন, বন্যার কারণে তার পুকুরের মাছ ভেসে গেছে এবং এখন অবশিষ্ট মাছগুলোও মারা যাচ্ছে। মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী তিনি পুকুরে মাইক্রোলিন, পটাশ, লবণ ও চুন প্রয়োগ করছেন, যাতে মাছগুলোকে রক্ষা করা যায়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোতাসিম বিল্লাহ জানান, বর্ষাকাল মৎস্য চাষের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়, কারণ এই সময়ে মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। বন্যায় দেড় শতাধিক পুকুর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চাষিরা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন। তিনি মনে করেন, ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের দ্রুত প্রণোদনা দেওয়া হলে তারা ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবেন। তবে পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে অর্থের সংকট বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক চাষিরই নতুন করে পোনা কেনা, মাছের খাদ্য সংগ্রহ এবং পুকুরের পানি শোধনের মতো প্রয়োজনীয় উপকরণ কেনার সামর্থ্য নেই।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। ফলে পোনা, খাদ্য, চুন বা লবণ দিয়ে চাষিদের সরাসরি সহযোগিতা করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পুকুরের পানি জীবাণুমুক্ত করার কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি বরাদ্দ এলে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন। এদিকে চাষিরা বলছেন, দ্রুত সরকারি সহায়তা না পেলে তাদের পক্ষে অবশিষ্ট মাছ রক্ষা করা এবং নতুন করে চাষাবাদ শুরু করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira