1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
September 19, 2026, 9:31 pm

সাতক্ষীরায় বিএনপির প্রার্থীদের পরাজয়ে দলের অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আইনমন্ত্রীর

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Sunday, September 13, 2026
  • 16 দেখা হয়েছে

বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের পরাজয়ের নেপথ্যে দলীয় নেতা-কর্মীদের একাংশের ভূমিকা ছিল বলে দাবি করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি অভিযোগ করেন, এসব নেতা দিনের আলোয় নিজেদের বিএনপির কর্মী পরিচয় দিলেও রাতের অন্ধকারে গুপ্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। রোববার বিকেলে সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

উল্লেখ্য যে, গত সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা পরাজিত হন এবং সেখানে বিজয়ী হন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। বিষয়টি উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় নির্বাচনের আগে তিনি বিস্তারিত ‘হোমওয়ার্ক’ করে এসেছেন। তার কাছে সবার আমলনামা রয়েছে। তিনি আরও যোগ করেন, ‘চারজন এমপিকে হারানোর জন্য আপনারা দিনে বিএনপি করেছেন, আর রাতে ষড়যন্ত্র করেছেন। যদি কেউ এ বিষয়ে জানতে চান, তবে আমি তাদের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান (একান্তে) কথা বলতে প্রস্তুত।’

দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে আইনমন্ত্রী কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তারেক রহমানের আদর্শের দল করতে হলে দলীয় শৃঙ্খলা মানতে হবে। দলের মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীর পক্ষে কাজ করা প্রত্যেক কর্মীর দায়িত্ব। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যারা দলের ভেতর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন, দল তাদের বর্জন করবে। তিনি জানান, যারা এমন কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন, তাদের রেকর্ডসহ সব তথ্য তার কাছে আছে।

মতবিনিময় সভায় নেতাদের বক্তব্যে ‘আমি’ শব্দটির অতিরিক্ত ব্যবহারের সমালোচনা করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বেশিরভাগ বক্তাই দাবি করেছেন যে তারা সব করেছেন বা তারা বেশি নির্যাতিত। অথচ দলের মূল আদর্শ হলো ‘আমরা’। জিয়াউর রহমানের দর্শন অনুযায়ী, ব্যক্তির চেয়ে দল বড় এবং দলের চেয়ে দেশ বড়। এই আমিত্ব ত্যাগ করে ‘আমরা’ হিসেবে ঐক্যবদ্ধ না হলে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

দলের অভ্যন্তরে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন আসাদুজ্জামান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নেতা যতই ত্যাগী বা নিবেদিতপ্রাণ হোন না কেন, যদি তিনি চাঁদাবাজি বা দখলবাজির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন, তবে তাকে কঠোরভাবে আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে। একই সভায় সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়কে দেশের অন্যতম ‘প্রশ্নবোধক বিভাগ’ হিসেবেও উল্লেখ করেন আইনমন্ত্রী।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বিথীকা বিনতে হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশ এবং সদস্যসচিব আবু হাসান ডাবলু। এছাড়া বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ প্রসঙ্গ টেনে সভায় আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমি আপনাদের সাতক্ষীরার জন্য যে দায়িত্ব পেয়েছি, (সে বিষয়ে) সারা দিন বিভিন্ন স্তরে মিটিং করেছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আইনমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের দল যখন একজনকে নমিনেশন (মনোনয়ন) দেয়, দল যদি আপনি করেন, তাহলে তাঁর পেছনেই আপনাকে থাকতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আর যদি সেটা না করেন, আপনার সারা জীবনের অর্জন ওইখানেই ধ্বংস হয়ে যাবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দলের প্রার্থীদের হারাতে কিছু নেতা বিভিন্ন আসন থেকে লোকজন ডেকে রাতে বৈঠক করেছিলেন বলেও অভিযোগ করেন আসাদুজ্জামান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দলীয় শৃঙ্খলা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যাঁরা এটা করেছেন, আমি তাঁদের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান রেকর্ডসহ বলব। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, সভায় বক্তব্য দেওয়া অধিকাংশ নেতা ‘আমি’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। ‘আমি সব করেছি, আমিই ত্যাগ করেছি, আমি নির্যাতিত হয়েছি’, এভাবে বক্তব্য দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira