1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
September 21, 2026, 1:18 am

চাকরি ছেড়ে যেভাবে ‘পটের বিবি’ গড়ে তুললেন ফোয়ারা ফেরদৌস

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Wednesday, August 19, 2026
  • 19 দেখা হয়েছে

২০১৫ সালের মে মাসে পটের বিবির যাত্রা শুরু হয় অনলাইনে। শাড়ি নিয়ে কাজ শুরুর আগে ফোয়ারা ফেরদৌস চাকরির বিরতিতে ছিলেন এবং বিভিন্ন পেশায় কাজ করেছেন। নতুন কিছু করার তাড়না থেকে তিনি শাড়ির ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন। শুরুতে টাঙ্গাইল থেকে শাড়ি সংগ্রহ করে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দিতেন তিনি। ছয় মাসের মধ্যেই ভালো সাড়া পাওয়ায় তিনি ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করেন। এরপর শাড়িতে নিজস্ব নকশা, রঙের ব্যবহার এবং ব্লকের কাজ যুক্ত করেন। এভাবে ২০১৯ সাল পর্যন্ত অনলাইনের দুনিয়াতেই ঘুরে বেড়াচ্ছিল পটের বিবি। পাশাপাশি বিভিন্ন মেলায় অংশগ্রহণ করেও তিনি ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হন।

অনলাইন ব্যবসার পাশাপাশি ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং শাড়ির পেছনের গল্পগুলো ভাগ করে নেওয়ার তাগিদ থেকে ২০১৯ সালের ২ আগস্ট লালমাটিয়ার সি ব্লকের ১/১-বি নম্বর বাড়িতে পটের বিবির প্রথম আউটলেট চালু করেন ফোয়ারা। যদিও করোনার প্রাদুর্ভাবে কিছু সময়ের জন্য দোকানটি বন্ধ রাখতে হয়েছিল, তবে সাত-আট মাস পর তা পুনরায় চালু করা হয়। শুরুতে অফলাইনে যাওয়ার খুব একটা ইচ্ছা ছিল না ফোয়ারার, কারণ নিজের নকশা নিয়ে নিরিবিলি কাজ করতেই তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। কিন্তু এটাও মনে হলো যে ক্রেতাদের সঙ্গে নতুন একটা শাড়ির গল্প ভাগ করে নেওয়া, তাঁদের বিস্তারিত জানানো বা বোঝানো যেত না অনলাইনে।

ফোয়ারা ফেরদৌস মনে করেছিলেন, যদি এমন একটি জায়গা থাকত যেখানে ক্রেতাদের আমন্ত্রণ জানানো যায়, তবে শাড়ি নিয়ে নতুন ভাবনাগুলো বিনিময় করা সহজ হতো। এই চিন্তা থেকেই দোকান দেওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি, যেখানে প্রদর্শনীর জন্য একটি কোনা থাকবে এবং নতুন শাড়ির কাজগুলোও করা যাবে। ফোয়ারা ফেরদৌস বলেন, ‘দোকান হলেও কেনাকাটার বাইরে জায়গাটি অনেক কাজেই ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্রেতাদের সঙ্গে কথোপকথন, শাড়ি নিয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতা, নতুন ভাবনা পাওয়া, আন্তরিক সম্পর্ক তৈরি হওয়া, নতুন কোনো পণ্য উপস্থাপন করা, মাঝেমধ্যে ক্রেতাদের একসঙ্গে নিয়ে আসার মতো অসংখ্য বিষয় করা যাচ্ছে। যে উদ্দেশ্য নিয়ে দোকান দিয়েছিলাম, সেটা পুরোপুরি পূরণ হয়েছে।’

দোকান দেওয়ার পর কাজের ক্ষেত্র ও পরিধি অনেক বেড়েছে। শুরুতে পটের বিবিতে মূলত শাড়ি নিয়েই কাজ হতো, তবে এখন স্কার্ফ, ব্যাগ, শিশুদের পোশাক ও নোটবুকের মতো নানা পণ্য যুক্ত হয়েছে। অনলাইনে অনেক সময় এসব পণ্য শাড়ির ভিড়ে আড়ালে পড়ে যায়, যা অফলাইন আউটলেটে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তবে নতুন কোনো শাড়ি এলে এখনো প্রথমে সেটা পটের বিবির অনলাইনেই তুলে ধরা হয়। বর্তমানে দেশের বাইরে থেকেও অনেকে অর্ডার করছেন। কাজের পরিসর সীমিত রেখে মান ধরে রাখার চেষ্টা করছেন ফোয়ারা। স্টুডিও পরিচালনা থেকে কারিগর—সব মিলিয়ে বর্তমানে পটের বিবিতে কাজ করছেন ১৫ জন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira