1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
September 23, 2026, 6:00 am

ময়মনসিংহে কাস্টমস কর্মী নিখোঁজ ও মৃত্যুর ঘটনায় দুই আসামির আদালতে স্বীকারোক্তি

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Thursday, August 27, 2026
  • 22 দেখা হয়েছে

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় কাস্টমস কর্মী আবু রায়হান তালুকদারকে (৪০) হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহের জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল হোসেনের আদালতে রাজু মির্জা (১৯) ও সোহেল মির্জা ওরফে জিতুল (২০) তাদের অপরাধের বিস্তারিত বর্ণনা দেন। এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

নিহত আবু রায়হান তালুকদার ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের সোয়াইতপুর গ্রামের মৃত ছিদ্দিক তালুকদারের ছেলে। তিনি ঢাকার কমলাপুরে কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখায় সেপাই হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আসামি রাজু মির্জা একই গ্রামের বাসিন্দা এবং গত চার বছর ধরে আবু রায়হানের বাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি রায়হানের মা রাহেলা খাতুনকে দেখাশোনা করতেন এবং পরিবারের আর্থিক লেনদেন ও মূল্যবান সামগ্রী সম্পর্কে অবগত ছিলেন।

আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে রাজু জানান, টাকার লোভে ২৪ জুলাই রাতে তিনি পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী দুধের সঙ্গে ২০টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে আবু রায়হানকে পান করান। রায়হান অচেতন হয়ে পড়লে রাজু লোহার রড দিয়ে তাকে আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর তিনি ঘরের মূল্যবান জিনিসপত্র ও নগদ টাকা লুট করেন। রাজু নিহত ব্যক্তির ব্যবহৃত আইফোনটি ঢাকায় নিয়ে ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন এবং রায়হানের নিখোঁজ থাকার সুযোগে তার ব্যাংক কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা উত্তোলন করেন।

হত্যার পর রাজু তার সহযোগী সোহেল মির্জাকে ডেকে আনেন। তারা দুজনে মিলে মরদেহটি চাপাতি দিয়ে ১৫ খণ্ড করেন এবং তিনটি ব্যাগ ও কাপড়ে পেঁচিয়ে বাড়ির ৩০০ গজ দূরে একটি পরিত্যক্ত ডোবার ঝোপে ফেলে দেন। এরপর তারা ডিটারজেন্ট, হ্যান্ডওয়াশ ও হারপিক ব্যবহার করে ঘরের মেঝে ও বাথরুম পরিষ্কার করে আলামত নষ্টের চেষ্টা করেন।

নিখোঁজের ৯ দিন পর ২ আগস্ট বিকেলে বাড়ির পেছনের পুকুর থেকে রায়হান তালুকদারের ১৫ টুকরা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর ৪ আগস্ট নিহতের বড় ভাই নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এজাহারে কেয়ারটেকার রাজু মির্জা, সোহেল মির্জা ও অজ্ঞাতনামাদের অভিযুক্ত করা হয়।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, রাজু মির্জা একাই হত্যার মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেন এবং লাশ গুম করতে বন্ধু সোহেলের সহায়তা নেন। ঘটনার পর নিহত ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে, ফলে আসামিরা খুব বেশি টাকা উত্তোলন করতে পারেনি। এখন পর্যন্ত এই দুজনের বাইরে অন্য কারো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। জবানবন্দি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ওই দুজনের জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেগুলো তিনটি ব্যাগ ও কাপড়ে পেঁচিয়ে আবু রায়হানের বাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ গজ পূর্বে একটি পরিত্যক্ত ডোবার ঝোপের ভেতর ফেলে আসেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য ছিল নিহত ব্যক্তির টাকা আত্মসাৎ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুজন আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে তাঁদের দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira