1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
September 20, 2026, 3:40 am

সিলেটে দেশের প্রথম সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন যুদ্ধ প্রশিক্ষণকেন্দ্রের যাত্রা শুরু

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Tuesday, September 1, 2026
  • 33 দেখা হয়েছে

দেশের দুর্গম সীমান্ত এলাকাগুলোতে নজরদারি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে সিলেটে যাত্রা শুরু করেছে দেশের প্রথম ‘সীমান্ত স্কুল অব সারভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সিলেট বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তরে এই বিশেষায়িত প্রশিক্ষণকেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। উদ্বোধনের পর তিনি কেন্দ্রটির কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং ড্রোনের ব্যবহারিক মহড়া ও প্রদর্শনী প্রত্যক্ষ করেন।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যেসব সীমান্ত এলাকায় জনবল দিয়ে সরাসরি নজরদারি চালানো কঠিন, সেখানে এখন থেকে ডিজিটাল প্রযুক্তি, নাইট ভিশন এবং থার্মাল ইমেজিং ড্রোন ব্যবহার করা হবে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সীমান্তের ওপারে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সহজ হবে। একই সঙ্গে চোরাচালান, মাদক ও অস্ত্র পাচার এবং মানব পাচারের মতো আন্তসীমান্ত অপরাধগুলোও কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রশিক্ষণকেন্দ্রটির গুরুত্ব তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এর মাধ্যমে ড্রোন ও ডিজিটাল নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ জনবল গড়ে তোলা হবে। ভবিষ্যতে বর্ডার আউটপোস্ট, বিজিবি সদর দপ্তর এবং আঞ্চলিক কমান্ড পর্যায় থেকেও সীমান্ত পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা তৈরি করা হবে। তিনি আরও জানান, বিজিবি এখন নিজস্ব উদ্যোগে ড্রোন তৈরি ও সংযোজনের কাজ করছে। ভবিষ্যতে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষা শিল্প হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে প্রশিক্ষণকেন্দ্রে বিশ্বের বিভিন্ন আধুনিক ড্রোন রাখা হয়েছে। তবে সব ধরনের উন্নত প্রযুক্তি এখনো সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে আরও আধুনিক ড্রোন যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, শুধু সীমান্ত সুরক্ষাই নয়, দুর্যোগকালীন উদ্ধারকাজ ও দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানোর ক্ষেত্রেও ড্রোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিজিবি সদস্যরা ইতিমধ্যে এ ধরনের কাজে ড্রোনের ব্যবহার শুরু করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আপাতত এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুধুমাত্র বিজিবি সদস্যদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী বেসামরিক ব্যক্তিদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় এই সক্ষমতাকে কাজে লাগানো হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, ‘আমরা এগুলো নিজেরাও এখানে অ্যাসেম্বল করছি, বানাচ্ছি এবং ভবিষ্যতে সেটা আমাদের জন্য একটা ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।’।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira