1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
November 7, 2026, 4:35 am

শরীরের প্রয়োজনে পানি পান: কম বা বেশি পানে কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়?

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Monday, September 7, 2026
  • 51 দেখা হয়েছে

সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • নৌপরিবহনমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ৩ মাসের মধ্যে ঢাকায় পুনরায় ওয়াটার বাস চলাচল শুরু হবে।
  • আইসিটির প্রধান প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, আবুল কালাম আজাদকে আপিলের সুযোগ দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া আদেশ বেআইনি।
  • ইংল্যান্ড সফরে খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলাজনিত আচরণের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পিসিবি।
  • দেশে হাম ও এর উপসর্গজনিত কারণে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় এক হাজারে পৌঁছেছে।
  • চট্টগ্রাম ওয়াসা পানির দাম ৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে।

মানবদেহের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের স্বাভাবিক কার্যকারিতায় পানির ভূমিকা অপরিহার্য। কিডনি, লিভার ও মস্তিষ্কের সুস্থতা থেকে শুরু করে হজম প্রক্রিয়া, রক্ত সঞ্চালন, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং বর্জ্য অপসারণ—সবকিছুই পানির ওপর নির্ভরশীল। তবে পানি পান করলেই শরীর ভালো থাকবে, এমন ধারণা সঠিক নয়। প্রয়োজনের তুলনায় কম বা বেশি—উভয়ই শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ আরাফাত এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেছেন।

অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ আরাফাত বলেন, পানির অপর নাম জীবন। শরীরের বড় একটি অংশ পানি দিয়ে গঠিত। তৃষ্ণা পাওয়ার অপেক্ষায় না থেকে শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী নিয়মিত পানি পান করা উচিত। শরীরে পানির অভাব দেখা দিলে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন তৈরি হয়, যা বিভিন্ন অঙ্গের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

রক্তের ভলিউম ও রক্তচাপ ঠিক রাখতে পানি গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলে রক্তের ভলিউম হ্রাস পায়, যা রক্তচাপ কমিয়ে দেয় এবং গুরুতর ক্ষেত্রে শকের মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এছাড়া শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য ঘাম নিঃসরণ প্রয়োজন, আর ঘাম তৈরির মূল উপাদান হলো পানি। পর্যাপ্ত পানি না থাকলে এই তাপ নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।

শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতেও পানির ভূমিকা অপরিসীম। পানির অভাবে রক্তে এসব উপাদানের ঘনত্ব বেড়ে যেতে পারে, আবার অতিরিক্ত পানি পানে ঘনত্ব কমে যেতে পারে—উভয়ই স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কিডনি শরীরের বর্জ্য প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়। পর্যাপ্ত পানির অভাবে এই প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে কিডনি ফেইলিউর বা কিডনিতে পাথরের মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া ও মূত্রনালির সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে।

পানির ঘাটতি হৃদযন্ত্রের ওপরও চাপ সৃষ্টি করে। রক্তের ভলিউম কমে গেলে হার্টের পক্ষে সারা শরীরে রক্ত পাম্প করা কঠিন হয়ে পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এছাড়া পানিশূন্যতার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য, ত্বকের শুষ্কতা, দ্রুত বয়সের ছাপ পড়া, দুর্বলতা, মাথাব্যথা এবং কাজের দক্ষতা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পানি পান করাও শরীরের জন্য বিপদজনক। অতিরিক্ত পানি রক্তে সোডিয়ামের ঘনত্ব কমিয়ে দেয়, যাকে হাইপোনেট্রেমিয়া বলা হয়। এর ফলে মাথাব্যথা, বমিভাব, দুর্বলতা, বিভ্রান্তি এবং খিঁচুনির মতো সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে কিডনি, হার্ট বা লিভারের জটিল রোগে আক্রান্তদের জন্য অতিরিক্ত পানি পান করা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ তাদের শরীর অতিরিক্ত পানি বের করতে পারে না, ফলে শরীর ফুলে যাওয়া বা শ্বাসকষ্টের মতো জটিলতা দেখা দেয়।

অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ আরাফাত পরামর্শ দেন যে, সবার পানির চাহিদা সমান নয়। বয়স, শারীরিক পরিশ্রম, আবহাওয়া এবং বিদ্যমান শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে পরিমিত পানি পান করা উচিত। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পানির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা বুদ্ধিমানের কাজ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইংল্যান্ড সফরে চরম বিশৃঙ্খলা, খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ে এবার তদন্তে পিসিবি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পানি কম খেয়ে এই ঝুঁকিগুলো বাড়াচ্ছেন না তো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হাম ও উপসর্গে দেশে মৃত্যু হাজার ছুঁই ছুঁই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি পৌঁছে যায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার জন্য শরীরের নিজস্ব তাপ-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর ফলে ডায়রিয়া, বমি হতে পারে; গুরুতর অবস্থায় বা চিকিৎসা না নিলে কিডনি শাটডাউন বা কিডনি ফেইলিউরের মতো পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পানির সঙ্গে হৃদযন্ত্রের কার্যক্রমের সম্পর্কও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় কম পানি করলে প্রথম দিকে দুর্বলতা, ক্লান্তি, অবসাদ, ঝিমুনি, মাসল ক্র্যাম্প, মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira