1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
September 22, 2026, 2:35 am

হিমালয়ের বিপর্যয়ে আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান নেপালের প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Tuesday, September 1, 2026
  • 26 দেখা হয়েছে

হিমালয় অঞ্চলে গত সপ্তাহে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দুর্যোগকে কোনো সাধারণ ঘটনা নয়, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। চীন-নেপাল সীমান্তে হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট কাদাপানি ও পাথরের ঢলে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৩৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে এবং প্রায় সাড়ে ৪ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এই বিপর্যয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জানান, রাসুয়ার ভোটেকোশি নদীতে নেমে আসা ঢল সাধারণ কোনো বন্যা ছিল না, বরং হিমালয় অঞ্চলের বিশাল তুষার ও বরফ ধসের কারণে এটি ঘটেছে। তিনি একে এই অঞ্চলের ইতিহাসের অন্যতম বড় দুর্যোগ হিসেবে অভিহিত করেছেন। যদিও ধসের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়, তবে বিশ্বজুড়ে হিমবাহ গলে যাওয়ার প্রবণতা যে এ ধরনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে, তা স্পষ্ট।

বিজ্ঞানীদের মতে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে হিমালয়ের হিমবাহগুলো দ্রুত গলছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমালয় অঞ্চলে ঝুঁকি ক্রমাগত বাড়ছে, যার ফলে এই অঞ্চলকে এখন সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকতে হবে। গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে নেপালের দায় নগণ্য হলেও, দেশটির প্রায় তিন কোটি মানুষকে এই জলবায়ু পরিবর্তনের চরম মাশুল দিতে হচ্ছে।

হিমালয় ও হিন্দুকুশ পর্বতমালার হিমবাহগুলো প্রায় ২৪ কোটি মানুষের পানির প্রধান উৎস। এছাড়া দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নদী উপত্যকায় বসবাসকারী আরও প্রায় ১৬৫ কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই পানির ওপর নির্ভরশীল। ২০২৩ সালে নেপাল সফরের সময় জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস দ্রুত হিমবাহ গলে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিলেন, পৃথিবীর ছাদগুলো ধসে পড়ছে।

গত বুধবারের এই দুর্যোগের পর জাতিসংঘের জলবায়ুবিষয়ক প্রধান সাইমন স্টিল একে পার্বত্য পরিবেশের ভঙ্গুরতার এক বিধ্বংসী স্মারক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সীমিত সম্পদ নিয়ে বিশাল এই দুর্যোগ মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে নেপাল। দেশটির সরকার জানিয়েছে, দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে।

উল্লেখ্য যে, এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও সচেতনতার পরিচয় পাওয়া গেছে। নেপালের একটি স্কুলে প্রধান শিক্ষকের দ্রুত ও সময়োচিত সিদ্ধান্তে প্রায় ৯০০ শিক্ষার্থীর প্রাণ রক্ষা পেয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেপালের বর্তমান নাজুক পরিস্থিতি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব জোরালোভাবে তুলে ধরার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৩৯ জন নিহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ধসের সঠিক কারণ এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের বিপজ্জনক পরিণতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে নেপালকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এমনিতেই নেপালের অর্থনীতি চাপে রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira