1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
November 6, 2026, 6:58 am

সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি রোধে কঠোর অবস্থানে সরকার

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Wednesday, September 9, 2026
  • 37 দেখা হয়েছে

সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে বারবার মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। প্রকল্প প্রণয়ন থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে নিবিড় তদারকি, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

অধিবেশনে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া জানতে চান, প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি রোধে সরকারের কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা বা মনিটরিং পরিকল্পনা আছে কি না। এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বৃদ্ধির পেছনে একক কোনো কারণ নেই। বরং প্রকল্প প্রণয়ন, অনুমোদন, ভূমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন এবং ক্রয় প্রক্রিয়াসহ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন স্তরের দুর্বলতা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই সমস্যার সৃষ্টি করে।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দুর্বল সম্ভাব্যতা যাচাই, ব্যয়ের ভুল প্রাক্কলন, প্রকল্প এলাকা নির্বাচনে ত্রুটি, ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরে বিলম্ব, ক্রয় প্রক্রিয়ায় ধীরগতি, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে দেরি এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের অভাব।

উন্নয়ন প্রকল্পের অপচয় ও দীর্ঘসূত্রিতা রোধে সরকারের গৃহীত ১৩ দফা পদক্ষেপ সংসদে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী

  1. নতুন প্রকল্প গ্রহণের আগে নির্ভুল সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) নিশ্চিত করা।
  2. প্রকল্প অনুমোদনের পর দ্রুত বাস্তবায়ন প্রস্তুতি শুরু করা।
  3. প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধনের বিদ্যমান নির্দেশিকা সময়োপযোগী করা।
  4. চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি মনিটরিংয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ড্যাশবোর্ড স্থাপন।
  5. নিয়মিত প্রকল্প পর্যালোচনা ও মাঠপর্যায়ে নিবিড় তদারকি জোরদার করা।
  6. ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তর দ্রুত করতে সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো।
  7. নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প শেষ না হলে বিলম্বের কারণ অনুসন্ধান করে দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া।
  8. ৩০ শতাংশের কম অগ্রগতি হওয়া প্রকল্পগুলোর উপযোগিতা যাচাই করে পুনর্বিন্যাস বা স্কোপ পরিবর্তনের ব্যবস্থা নেওয়া।
  9. বিচ্ছিন্ন প্রকল্পের পরিবর্তে সমন্বিত কর্মসূচির অধীনে গুচ্ছ প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনা।
  10. সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় ই-জিপি (e-GP) ব্যবহারের পরিধি সম্প্রসারণ।
  11. প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে পেশাগত দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া এবং দায়িত্বের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে নীতিমালা হালনাগাদ করা।
  12. সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব বা পিপিপি (PPP) মডেলের প্রকল্প গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ।
  13. সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় প্রতিযোগিতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুল ২০২৫’ হালনাগাদ করার উদ্যোগ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যেসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ৩০ শতাংশের কম, সেগুলোর উপযোগিতা ও কার্যকারিতা বিবেচনা করে পুনর্বিন্যাস, স্কোপ পরিবর্তন বা চলমান রাখার বিষয়ে মন্ত্রণালয়/বিভাগ কর্তৃক যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira