1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
November 4, 2026, 9:43 am

আওয়ামী লীগ আমলে জেলা কোটায় ১১৭৩ কনস্টেবলের ভুয়া ঠিকানা শনাক্ত

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Wednesday, November 4, 2026
  • 11 দেখা হয়েছে

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগে জেলা কোটার সুবিধা নিতে অন্তত এক হাজার ১৭৩ জন ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের একটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। চিহ্নিত এসব পুলিশ সদস্যের মধ্যে ৮৩ শতাংশ বা ৯৮০ জনই ঢাকা জেলায় নিয়োগ পেয়েছিলেন। তদন্তে দেখা গেছে, অনিয়মের মাধ্যমে হওয়া এসব নিয়োগের সিংহভাগই ২০১৪ ও ২০১৫ সালের দিকে সম্পন্ন হয়েছিল। নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে কমিটি / আওয়ামী লীগ আমলে ভুয়া ঠিকানা দেখিয়ে জেলা কোটায় চাকরি নেন ১১৭৩ কনস্টেবল। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী। তাহসিফ হত্যা মামলা: দিশার আরও ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। বর্তমান নিয়োগ পদ্ধতিতে প্রতিটি জেলার পুলিশ সুপার প্রশিক্ষণার্থী ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করেন। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, ঢাকায় সন্দেহজনক ৯৮০টি নিয়োগের মধ্যে ৯৪৬টি হয়েছিল ২০১৪ ও ২০১৫ সালে। একই বছর তাকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এ ধরনের চার থেকে পাঁচটি জেলা চিহ্নিত করেছি।’।

গণঅভ্যুত্থানের পূর্ববর্তী গত এক দশকে সারা দেশে প্রায় ৭৬ হাজার ৪৪৮ জন কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পেলে যেসব সমস্যায় পড়তে পারেন ট্রাম্প। বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদ, রোকেয়া সরণি অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের।

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির গত ১৫ মার্চ নিয়োগ প্রক্রিয়া পর্যালোচনার জন্য এই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

চিহ্নিত এই ১,১৭৩ জন কনস্টেবল বর্তমানেও চাকরিতে বহাল আছেন।

ঢাকার ৯৮০ জনের মধ্যে ৬৪৩ জন ২০১৫ সালে এবং ৩০৩ জন ২০১৪ সালে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

জালিয়াতির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা, যেখানে ৯৩টি অনিয়মের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলার পুলিশ সুপারদের (এসপি) পাঠানো তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করছে। এরপর চূড়ান্ত তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। পুলিশ সদর দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জানান, অনেকে স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিতে ছোটখাটো জমি কিনেছিলেন অথবা জেলা কোটা পাওয়ার জন্য ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করেছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তারা সতর্কতার সঙ্গে তথ্য যাচাই করছেন যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তির নাম ভুলবশত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হয়। ওই দুই কর্মকর্তার একজন বলেন, ‘তদন্তের ফলাফল আরও যাচাই করা হচ্ছে, যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তির নাম ভুল করে তালিকায় না আসে।’।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, অনেক ক্ষেত্রে অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে শতাধিক ব্যক্তি চাকরি পেয়েছেন। এছাড়া লিখিত পরীক্ষায় আশানুরূপ ফলাফল না করা সত্ত্বেও অন্তত ২০০ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অস্বাভাবিক উচ্চ নম্বর পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিয়োগের ক্ষেত্রে ঘুষ লেনদেন ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। জেলা পুলিশের তৎকালীন প্রধানরা প্রভাবশালী নেতাদের সুপারিশে এসব নিয়োগ দিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কোনো প্রার্থীর আত্মীয় আওয়ামী লীগের নেতা হলেই যে তিনি সেই আত্মীয়ের প্রভাব খাটিয়ে চাকরি পেয়েছেন, এমনটা বলা যায় না।’। কমিটিগুলোকে কয়েকটি বিষয় খতিয়ে দেখতে বলা হয়।

ঢাকার তৎকালীন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের সময়ে এসব অনিয়মের বড় অংশ ঘটেছিল। তিনি বর্তমানে একাধিক মামলায় পলাতক এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে নারায়ণগঞ্জে কনস্টেবল নিয়োগে অনিয়মের তথ্য প্রথম প্রকাশ পায়, যেখানে ১৮ জন কনস্টেবলকে জমি বিক্রির দলিলে একই নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করার অপরাধে বরখাস্ত করা হয়। তবে তৎকালীন এসপি হারুন অর রশীদ পরে পদোন্নতি পেয়ে গোয়েন্দা প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি মামলায় সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল হাবিবুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। ২০১৯ সালে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ হারুন অর রশীদের মেয়াদে ১৮ জন কনস্টেবল নিয়োগে অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। এছাড়া ১১ জনের জমির দলিলে একই মৌজা, দাগ ও খতিয়ান নম্বরের উল্লেখ ছিল। তবে হারুন ২০২২ সালে ডিআইজি পদে পদোন্নতি পান। দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকা এবং সরকারি আদেশ অমান্য করার অভিযোগে গত ৩১ অক্টোবর তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

গত ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়োগ জালিয়াতির মাধ্যমে উপপরিদর্শক (এসআই) ও কনস্টেবলসহ বিভিন্ন পদে অসংখ্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বিশেষ করে ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও কিশোরগঞ্জ জেলার নাম উল্লেখ করেন, যেখানে প্রার্থীরা স্থানীয় কোটা পেতে জমি কিনে ঠিকানা পরিবর্তন করেছিলেন।

আইজিপির নির্দেশে গঠিত জেলা পর্যায়ের কমিটিগুলো নিয়োগবিধি লঙ্ঘন, প্রশ্নপত্র ফাঁস, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরের অসঙ্গতি এবং রাজনৈতিক প্রভাবের মতো বিষয়গুলো খতিয়ে দেখেছে। যদিও সাবেক আইজিপি বাহারুল আলম মনে করেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে জমি কেনার মাধ্যমে ঠিকানা পরিবর্তনের জালিয়াতির সুযোগ পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হয়নি। পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কার্যকর ডিসেম্বরে।

পুলিশ সদর দপ্তর অনিয়ম রোধে সরকারের শেষ দিকে কিছু সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছিল। এর মধ্যে লিখিত পরীক্ষার নম্বর ৪০ থেকে বাড়িয়ে ৪৫ করা এবং মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ২০ থেকে কমিয়ে ১৫ করা অন্যতম। এছাড়া প্রশ্নপত্র তৈরি ও উত্তরপত্র মূল্যায়নের দায়িত্ব জেলা পর্যায় থেকে সরিয়ে সরাসরি পুলিশ সদর দপ্তরের অধীনে নিয়ে আসা হয়েছিল, যাতে নিয়োগের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। প্রশিক্ষণ শেষ হলে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানেই জেলার পুলিশ সুপারেরা তাদের নিয়োগপত্র দেন। বিএনপির স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা, পদ হারালেন ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক। ফুটবলারের মৃত্যুর ঘটনায় গোলরক্ষকের ৪ বছরের কারাদণ্ডের শঙ্কা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira