ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ ইসলামি জানিয়েছেন, কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক হামলার হুমকি সত্ত্বেও দেশটির পারমাণবিক শিল্প খাত বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে সমপর্যায়ে এগিয়ে যাচ্ছে। বুধবার এক বক্তব্যে তিনি এই অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন।
মোহাম্মদ ইসলামি আরও বলেন, তেহরানের শত্রুরা বরাবরই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে শান্তিপূর্ণ নয় বলে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। মূলত ইরানকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যেই এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়। তিনি স্পষ্ট করেন যে, শত্রুরা নিজেরাও এই কর্মসূচির বাস্তবতা সম্পর্কে অবগত, কিন্তু তাদের মূল লক্ষ্য হলো ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করা।
ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে যে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ বেসামরিক এবং এটি মূলত পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহারের জন্য পরিচালিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখার লক্ষ্যেই তিনি ইসরাইলের সঙ্গে মিলে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। যদিও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়নে উঠে এসেছিল যে, ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির কোনো পরিকল্পনা করছিল না। তবে যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, এই পরিস্থিতির কারণে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের বিষয়ে নতুন করে আগ্রহী হয়ে উঠতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাদের এমন অভিযোগের কারণ তারা ইরানকে দুর্বল করতে চায়।
Leave a Reply