1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
November 6, 2026, 9:35 am

জাতীয় দলের ফুটবলারদের ‘খ্যাপ’ খেলা: পেশাদারিত্বের অভাব নাকি কাঠামোগত ব্যর্থতা?

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Saturday, August 15, 2026
  • 59 দেখা হয়েছে

সম্প্রতি জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে স্থানীয় পর্যায়ের ‘খ্যাপ’ ম্যাচে খেলতে দেখা গেছে, যা ক্রীড়াঙ্গনে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। শেখ মোরসালিন, ফয়সাল আহমেদ ও রাকিব হোসেনের মতো খেলোয়াড়দের কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তাদের পেশাদারিত্ব ও দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অনেকে মনে করছেন, দেশের প্রতিনিধিত্বকারী খেলোয়াড়দের এমন অপেশাদার পরিবেশে খেলা তাদের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, যিনি নিজেও একসময় জাতীয় দলের গোলরক্ষক ছিলেন, সোমবার রাতে কালশীতে একটি ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বিষয়টি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নজরে আনা হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার যখন পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে তাদের মাসে এক লাখ টাকা করে ভাতা দিচ্ছে, তখন তাদের এমন ম্যাচে অংশ নেওয়া কতটা যৌক্তিক, তা ভেবে দেখার বিষয়। তিনি খেলোয়াড়দের সতর্ক করার পাশাপাশি প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তবে এই বিতর্কের বিপরীতে ফুটবলের বাস্তব চিত্রটি বেশ জটিল। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল এ বিষয়ে কিছুটা নমনীয় অবস্থান নিয়েছেন। তিনি জানান, খেলোয়াড়রা অবসর সময়ে অন্য কোথাও খেললে তা ঠেকানোর মতো কোনো সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা ফেডারেশনের নেই। তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের কোনো বিষয় আমাদের নজরে এলে আমরা গুরুত্ব দিয়েই দেখব। জাতীয় দল বা ক্লাবের কোনো খেলোয়াড় অন্য কোথাও খেলছেন, এমন কোনো অভিযোগ এখনো আমাদের কাছে আসেনি। অভিযোগ না আসা পর্যন্ত আমরা নিজে থেকে কাউকে দোষী প্রমাণ করার চেষ্টা করব না।’

খেলোয়াড়দের এমন আচরণের পেছনে আর্থিক অনিশ্চয়তা একটি বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে ফুটবলারদের বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বসুন্ধরা কিংসের মতো বড় ক্লাবগুলোও বর্তমানে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্লাবগুলো নতুন খেলোয়াড় নিবন্ধন করতে পারছে না। জাতীয় দলের অধিনায়ক তপু বর্মণ জানান, গত দুই মৌসুম ধরে সব ক্লাবের খেলোয়াড়রাই পারিশ্রমিক নিয়ে সংকটে আছেন। কিংস যদি লিগে অংশ নিতে না পারে, তবে ৩০-৩৫ জন ফুটবলারের পরিবারের জন্য তা বড় ধাক্কা হবে।

এই পরিস্থিতিতে ‘খ্যাপ’ ম্যাচগুলো অনেক খেলোয়াড়ের জন্য বাড়তি আয়ের উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৫ সালে মিডফিল্ডার হেমন্ত ভিনসেন্ট বিশ্বাসের ক্ষেত্রেও এমন ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে স্থানীয় আয়োজকদের অনুরোধে তিনি ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন। অনেক সময় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অনুরোধ ফেরানো খেলোয়াড়দের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এছাড়া, জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা শেষবার ৫ জুন সান মারিনোর বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন, এরপর থেকে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলের অভাবে তারা অনেকটা অলস সময় কাটাচ্ছেন।

প্রশ্ন উঠছে, খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্বের কথা বলা হলেও, তাদের জন্য কি কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা আছে? যদি চুক্তিতে ‘খ্যাপ’ খেলা নিষিদ্ধ না থাকে, তবে তাদের দোষারোপ করার ভিত্তি কতটা মজবুত? পেশাদারিত্বের সংজ্ঞা কেবল মাঠে না নামা নয়, বরং একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ ও চুক্তির নিশ্চয়তাও এর অন্তর্ভুক্ত।

পেশাদার ফুটবলের মানদণ্ড অনুযায়ী অনুপযুক্ত মাঠে না খেলা, ফিটনেস বজায় রাখা এবং শরীরের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু খেলোয়াড়দের যদি সেই পেশাদার কাঠামোর নিরাপত্তা না দেওয়া হয়, তবে কেবল নৈতিকতার দোহাই দিয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।

পরিশেষে, বিষয়টি কেবল খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি দেশের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামোগত দুর্বলতার প্রতিফলন। যদি একটি স্থানীয় ম্যাচ পেশাদার লিগের চেয়ে বেশি দর্শক টানতে পারে, তবে তা লিগের জনপ্রিয়তা ও ব্যবস্থাপনার ওপরও প্রশ্ন তোলে।

কর্তৃপক্ষকে এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা কি কেবল খেলোয়াড়দের ওপর দায় চাপাবে, নাকি একটি সুশৃঙ্খল ও পেশাদার কাঠামো তৈরি করবে যেখানে খেলোয়াড়রা আর্থিক নিরাপত্তার পাশাপাশি নিয়মের বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে উৎসাহিত হবেন।

বেশিরভাগ আলোচনাই ঘুরপাক খাচ্ছে একটা জায়গায়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা প্রতিষ্ঠিত এই খেলোয়াড়রা স্থানীয় এসব ম্যাচে খেলে নিজেদের ভাবমূর্তির কতটা ক্ষতি করছেন।

কিন্তু এই সমালোচনার আড়ালে চাপা পড়ে যাচ্ছে আরও একটা জরুরি প্রশ্ন, আদৌ কি এই ফুটবলাররা এমন কোনো চুক্তিগত বা আইনি বাধ্যবাধকতার মধ্যে আছেন, যা তাদের ‘খ্যাপ’ খেলা থেকে বিরত রাখে?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে বেড়াচ্ছে অসংখ্য রিল, কর্দমাক্ত মাঠে খেলছেন খেলোয়াড়রা, খেলা শেষে গোসল সারছেন পুকুরে।

এসব রিলের কমেন্ট বক্সে বারবার একই কথা উঠে এসেছে, মানুষ এই খেলোয়াড়দের আরও বড় মঞ্চে দেখতে চায়, এমন ছোট পরিসরে নয়।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার যে অভাবের কথা আমি আগে বলেছিলাম, নিজেদের প্রতিও সেই একই দায়বদ্ধতার অভাব এখানে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

প্রতিমন্ত্রীর এই সমালোচনার পেছনে যুক্তি একেবারে ফেলনা নয়।

জাতীয় দলের খেলোয়াড় হয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা, তার ওপর সরকারি অর্থ পাওয়া, এসবের সঙ্গে কিছু প্রত্যাশা তো জড়িয়ে থাকেই।

পেশাদার ফুটবলের তুলনায় এই ‘খ্যাপ’ ম্যাচগুলো একেবারেই ভিন্ন জগতের ব্যাপার।

কয়েক হাজার বা বড়জোর লাখ টাকার বিনিময়ে খেলতে নেমে চোট পাওয়ার ঝুঁকিও থাকে অনেক।

তাই বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলা তারকারা যখন টাকার জন্য এসব ম্যাচে নামেন, সেটা ভালো চোখে না দেখাটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, শুধু ‘তারা জাতীয় দলের খেলোয়াড়, তাই পেশাদারের মতো আচরণ করা উচিত’ -এই একটা যুক্তিই কি যথেষ্ট?

কারণ বাংলাদেশের ফুটবলের বাস্তবতায় এর উল্টো দিকেও একটা অস্বস্তিকর প্রশ্ন লুকিয়ে আছে, আসলে এই খেলোয়াড়রা কোন পেশাদার কাঠামোর মধ্যে বাঁধা?

‘খ্যাপ’ ম্যাচ খেলা বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে বহু পুরোনো একটা চর্চা, দেশের ক্রীড়া ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে মিশে আছে।

সম্ভবত প্রতিমন্ত্রীও ঠিক এই বিষয়টাই তুলে ধরতে চেয়েছিলেন।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, সরকারের ‘ক্রীড়া হবে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ কর্মসূচির আওতায় মাসে এক লাখ টাকা করে ভাতা পাওয়া ১৮ জন পুরুষ ফুটবলারের তালিকায় এই খেলোয়াড়রাও আছেন।

তাহলে প্রশ্ন আসে, প্রতিমন্ত্রীর আপত্তিটা কি আসলে বিষয়টা দেখতে কেমন লাগছে, অর্থাৎ শুধু ভাবমূর্তি নিয়েই?

সরকারি টাকা নিলে তার সঙ্গে কিছু দায়িত্ব ও প্রত্যাশা জড়িয়ে থাকবে, এই যুক্তি মানা যায়।

কিন্তু সেই প্রত্যাশাগুলো যদি কোনো চুক্তিতেই স্পষ্ট করে লেখা না থাকে, তাহলে এমন একটা নিয়ম ভাঙার অভিযোগে খেলোয়াড়দের দোষারোপ করার ভিত্তিটা আসলে কী, যে নিয়মের অস্তিত্বই কার্যত নেই?

সত্যতা নিশ্চিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

এই তিন খেলোয়াড়ের সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট দেখলে বিষয়টা আরও পরিষ্কার হয়।

মে মাসে লিগ শেষ হওয়ার সময়েই এই তিনজনের নিজ নিজ ক্লাবের হয়ে শেষবার মাঠে নামা হয়ে গিয়েছিল।

জানা গেছে, একই সময়ে তাদের ক্লাব-চুক্তিরও মেয়াদ ফুরিয়েছে।

এরপর থেকে ক্লাব কিংবা জাতীয় দল, কোনো জায়গাতেই তাদের মাঠে নামার সুযোগ হয়নি।

এদিকে দেশের সবচেয়ে সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ক্লাব হিসেবে পরিচিত বসুন্ধরা কিংসই এখন চরম অনিশ্চয়তায়।

বিদেশি খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের বকেয়া না মেটানোয় ফিফা চারটি ক্লাবের নিবন্ধনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, যার মধ্যে কিংসও পড়েছে।

এই নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্লাবগুলো নতুন খেলোয়াড় নিবন্ধন করতে পারছে না, আর যে দেশে প্রতি মৌসুমেই নতুন করে চুক্তি করাটা সাধারণ রীতি, সেখানে এটা রীতিমতো বড় ধাক্কা।

অর্থাৎ নতুন কোনো ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত তারা কার্যত ফ্রি এজেন্ট।

পুরোনো ক্লাব তাদের ‘খ্যাপ’ খেলার অনুমতিও দেয়নি, নিষেধও করেনি।

নতুন ক্লাবও এখনো তাদের এসব ম্যাচ থেকে সরিয়ে রাখেনি।

তাহলে তারা আসলে কোন নিয়মটা ভেঙেছেন?

সম্ভবত শুধু একটা অলিখিত ধারণা, জাতীয় দলের একজন ফুটবলারের আচরণ কেমন হওয়া উচিত।

আর সত্যিই যদি তাই হয়, তাহলে এই পুরো বিতর্কটা আসলে ভাবমূর্তি নিয়ে।

আরেকটু অস্বস্তিকরভাবে বললে, এমন একটা ভাবমূর্তি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা, যা বাংলাদেশের পেশাদার ফুটবলের ভঙ্গুর বাস্তবতাকে আড়াল করে রাখে।

অনেকেই মনে করেন, এই ম্যাচগুলোতে পাওয়া পারিশ্রমিকই খেলোয়াড়দের টানে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে খেলোয়াড়দের বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে পড়ে গেছে।

অনেক খেলোয়াড় এখন যে ট্রান্সফার ফি পাচ্ছেন, তা আগের তুলনায় প্রায় অর্ধেক।

ট্রান্সফার মূল্য কমছে, ক্লাবগুলো আর্থিক সংকটে, কিংসের মতো ক্লাবের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, আর খেলোয়াড়দের ধারাবাহিকভাবে ক্লাবে চাকরি পাওয়ার নিশ্চয়তাও নেই, এই বাস্তবতায় ‘খ্যাপ’ থেকে আসা টাকাকে শুধু লোভ বলে দেখাটা সহজ হয়ে ওঠে না।

বরং এটা একটা অনিশ্চিত পেশায় বাড়তি আয়ের একটা উৎসও হয়ে উঠতে পারে।

তার মানে এই নয় যে চোটের ঝুঁকি নেওয়াটা যুক্তিসঙ্গত হয়ে যায়, কিন্তু খেলোয়াড়দের বিচার করার আগে এই আর্থিক বাস্তবতাটা মাথায় রাখা দরকার।

এখানে একটা তীব্র বিদ্রূপও লুকিয়ে আছে।

এখানেই এমন একটা সত্যি সামনে চলে আসে, যা মেনে নেওয়া হয়তো কঠিন, সম্ভবত পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়দের বা দর্শকদের সেখানে থেকে যাওয়ার মতো যথেষ্ট কারণ দিতে পারেনি।

এই একান্ত বাংলাদেশি সমস্যার আরও একটা দিক আছে।

২০১৫ সালে প্রতিভাবান মিডফিল্ডার হেমন্ত ভিনসেন্ট বিশ্বাসের সঙ্গেও এমনটাই ঘটেছিল বলে তার দাবি।

হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট থেকে সেরে উঠতে হেমন্ত জাতীয় দলের ক্যাম্প থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

অথচ তিনিই পরে নিজের শহর দিনাজপুরে একটা স্থানীয় ম্যাচ খেলে ফেলেন।

এর জেরে ফেডারেশন তাকে শাস্তি দেয়, নিষিদ্ধ করে জাতীয় দলের ক্যাম্পে ঢোকা থেকে।

এই ঘটনাটাই বলে দেয়, খেলোয়াড়দের শুধু ‘পেশাদারের মতো আচরণ করো’ বলে দিলেই চলবে না।

পেশাদারিত্বের সীমারেখাটা স্পষ্ট করে টেনে দিতে হবে, আর সেই সীমারেখা এমন একটা কাঠামোর ভেতরেই দাঁড়িয়ে থাকতে হবে, যে কাঠামো নিজেই পেশাদার।

নিয়মও নির্দিষ্ট করে বলে দিতে হবে, আর এমন একটা পেশাদার কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সেই নিয়মগুলো সত্যিকারের অর্থ বহন করে।

কিন্তু পেশাদারিত্ব বলতে যদি বোঝায় একটা চুক্তির অধীনে থাকা, নিয়মিত পারিশ্রমিক পাওয়া, একটা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে কাজ করা, প্রয়োগযোগ্য কিছু বাধ্যবাধকতার আওতায় থাকা, আর একজন কর্মী হিসেবে নিজের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা, তাহলে বাংলাদেশের ফুটবলের এখনো অনেকটা পথ পাড়ি দেওয়া বাকি।

আসল প্রশ্ন হলো, যে ব্যবস্থা তাকে ‘খ্যাপ’ খেলতে নিষেধ করছে, সেই ব্যবস্থা কি তাকে সেই নিরাপত্তার অনুভূতিটা দেওয়ার জন্য যথেষ্ট কিছু করেছে?

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira