কিলিয়ান এমবাপের সামর্থ্য বা রেকর্ডের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকলেও, তার কিছু মন্তব্যের কারণে বিরক্ত জঁ-পিয়ের পাপাঁ। ১৯৯১ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা এমবাপের আত্মকেন্দ্রিক আচরণের সমালোচনা করে বলেছেন, ফরাসি অধিনায়কের কথাবার্তায় সবকিছু যেন এখন কেবল ‘আমি, আমি আর আমি’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেড়েছে চালের দাম, কারণ জ্বালানি ও ধানের মূল্যবৃদ্ধি, মৌসুমের শেষ। তবে ফরাসি অধিনায়কের একটি বিষয় একেবারেই মেনে নিতে পারছেন না সাবেক এই ফুটবলার। এর মধ্যেই এমবাপের সাম্প্রতিক মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন অনেকেই। কিন্তু একটা পর্যায়ে গিয়ে সবকিছু যেন শুধু আমি, আমি আর আমিকে ঘিরেই আবর্তিত হতে থাকে।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘ফুট মেরকাতো’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাপাঁ বলেন, তিনি এমবাপেকে সম্মান করেন এবং তার অনেক রেকর্ড রয়েছে। তবে ব্যালন ডি’অর বিজয়ী নির্বাচনের বিষয়টি অন্য ব্যক্তিদের ওপর ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, সবকিছু নিজেকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হওয়াটা দৃষ্টিকটু।
এর আগে এমবাপে দাবি করেছিলেন, তিনি ছাড়া অন্য কেউ এই পুরস্কারের যোগ্য নন। এই প্রসঙ্গের অবতারণা করে পাপাঁ বলেন, এমন মন্তব্য তার কাছে অত্যন্ত বাড়াবাড়ি বলে মনে হয়েছে। যদিও এমবাপের সক্ষমতা নিয়ে তার কোনো সংশয় নেই, কিন্তু জনসমক্ষে নিজের ভাবমূর্তি উপস্থাপনের ধরণটি নিয়ে তিনি বেশ হতাশ। ফ্রান্সের সাবেক তারকা পাপাঁর মতে, নিজেকে পুরস্কারের যোগ্য মনে করতেই পারেন এমবাপে, কিন্তু কে ব্যালন ডি’অর জিতবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব তাঁর নয়।
পাপাঁ স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, ব্যালন ডি’অর বিজয়ী নির্ধারিত হয় নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ডের ভিত্তিতে এবং এটি খেলোয়াড়ের নিজের মূল্যায়নের বিষয় নয়। সেইসঙ্গে তিনি এবার তার নিজের পছন্দের কথা জানানোর সময় স্বদেশি এমবাপেকে নয়, বরং ইংল্যান্ডের তারকা ফরোয়ার্ড হ্যারি কেইনকে ব্যালন ডি’অরের জন্য যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করেন। ব্যালন ডি’অর ঘোষণার সময় যত ঘনিয়ে আসছে, সম্ভাব্য বিজয়ী নিয়ে আলোচনাও তত বাড়ছে।
অন্যান্য সংবাদের মধ্যে, চকবাজারের অগ্নিকাণ্ড ১২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং এতে আহত চার ফায়ার ফাইটারকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মোংলা বন্দর আধুনিকীকরণের জন্য চীনের সঙ্গে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চকবাজারের আগুন ১২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে, হাসপাতালে ৪ ফায়ার ফাইটার।
অন্যদিকে, ঢাকা থেকে সৌদি আরবগামী ৬১টি ফ্লাইট স্থগিত করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ৮ হাজার ৩৮১ জন যাত্রী। সব মিলিয়ে এই সংবাদগুলো জনজীবনে ও ক্রীড়াঙ্গনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ৮৩৮১ যাত্রী।
Leave a Reply