1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
November 6, 2026, 5:29 am

ইশরাক: আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরি

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Sunday, October 18, 2026
  • 41 দেখা হয়েছে

রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় আত্মরক্ষার্থে নিজের লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। গতকাল শনিবার বিকেলে ঘটা এই বিষয়টি নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যম বিকৃত তথ্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে রবিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন। কম্বোডিয়ায় প্রতারণার ফাঁদে আটকে ১৮০০ বাংলাদেশি, সামনে ৩১ অক্টোবরের সময়সীমা।

ইশরাক হোসেন জানান, মাদকবিরোধী কর্মসূচি চলাকালে একটি অস্থায়ী আস্তানার কাছাকাছি পৌঁছালে ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি দল মারমুখী ভঙ্গিতে তাদের গাড়িবহরের দিকে ধেয়ে আসে। কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন / ‘সিঁড়ি পুড়ে যাওয়ায় নামতে পারেননি মুক্তা’। হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬। আজ রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইশরাক বলেন, কর্মসূচি চলাকালে একটি অস্থায়ী আস্তানার নিকট পৌঁছালে ৩০ থেকে ৩৫ জন আইনলঙ্ঘনকারী ব্যক্তি অতর্কিতে হইচই করে আমাদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে ধেয়ে আসে। গণঅভ্যুত্থান স্মরণে জুলাই-আগস্টে ধারাবাহিক কর্মসূচি মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের।

ওই সময় সুনির্দিষ্ট হামলার আশঙ্কা এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি এবং তার সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে আত্মরক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পরপরই তিনি অস্ত্রটি যথাস্থানে সরিয়ে রাখেন।

তিনি স্পষ্ট করেন যে, প্রদর্শিত আগ্নেয়াস্ত্রটি যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং এর ব্যবহার কেবলই আইনি কাঠামোর মধ্যে আত্মরক্ষার স্বার্থে করা হয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে যাওয়ার পূর্বেই গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং মাদক কারবারিদের পক্ষ থেকে ছাদ থেকে আকস্মিক হামলার আশঙ্কার বিষয়ে তাকে সতর্ক করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই গেন্ডারিয়ার ঘণ্টিঘর, মুন্সিটেক ও করাতিটোলা এলাকাটি মাদক সিন্ডিকেটের অন্যতম ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়। গত জুন মাসে মাদক সংক্রান্ত সহিংসতায় তিনজন নিরীহ নাগরিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি এলাকাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছিলেন এবং স্থানীয় থানায় স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য ডিও লেটারও প্রদান করেছিলেন। ঢাকার সাবেক মেয়র ও প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক দাবি করেন, ঘটনাস্থলে গমনাগমনের পূর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্রে তাকে নিরাপত্তাঝুঁকি এবং মাদক কারবারিদের পক্ষ থেকে ছাদ থেকে আকস্মিক গুলিবর্ষণের আশঙ্কার বিষয়ে। ইশরাক বলেন, ঢাকা-৬ আসনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই গেন্ডারিয়ার ঘণ্টিঘর, মুন্সিটেক, করাতিটোলা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় মাদক কেনাবেচা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে স্থানীয় অধিবাসীদের পক্ষ থেকে। গত জুন মাসে মাদক-সংক্রান্ত এক সহিংসতায় ৩ জন নিরীহ নাগরিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি এলাকাটি সরজমিনে পরিদর্শন করেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে একাধিক সমন্বয় সভা করেন। তিনি বলেন, জনবল সংকট দূরীকরণ এবং মাদকের আস্তানা সংলগ্ন স্থানে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট থানাকে আধাসরকারি পত্র (ডিও লেটার) প্রদান করলেও তা এখনো বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন, সর্বশেষ পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের যৌথ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—সাধারণ নাগরিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অংশগ্রহণে একটি সমন্বিত সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই তিনি গতকাল ওই এলাকায় যান। একটি ঘটনাকে খণ্ডিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচারের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সামাজিক আন্দোলনকে স্তব্ধ করা যাবে না।

প্রতিমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, প্রথম আলো,, ইত্তেফাক ও কালবেলাসহ কয়েকটি গণমাধ্যম তার অভিযানের সাফল্য, পুলিশের ভূমিকা এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রমের ইতিবাচক দিকগুলো এড়িয়ে গিয়ে শুধুমাত্র একটি খণ্ডিত দৃশ্যকে চটকদার শিরোনামে উপস্থাপন করেছে। তিনি দাবি করেন, এর মাধ্যমে তারা জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মানদণ্ড বজায় রাখেনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রথম আলো,, দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক কালবেলাসহ মুষ্টিমেয় কয়েকটি গণমাধ্যম অতিউৎসাহী হয়ে খণ্ডিত তথ্য ও ফটোকার্ডের মাধ্যমে অপতথ্য ও বিকৃত সংবাদ পরিবেশন করেছে। তার দাবি, বিকৃত, মিথ্যা এবং সম্পূর্ণ বানোয়াট এসব সংবাদ মূলত অভিযানের সাফল্য, পুলিশের ভূমিকা, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার এবং ৬ জন অপরাধী আটকের ইতিবাচক দিকটি সুপরিকল্পিতভাবে সম্পূর্ণ এড়িয়ে গেছে।

অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরে ইশরাক হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর স্থানীয় থানা-পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের প্রত্যক্ষ সহায়তায় সন্দেহভাজন আস্তানাগুলোতে যৌথ অভিযান চালিয়ে চারটি মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় হেরোইনসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, দেশীয় ধারালো অস্ত্র, নগদ অর্থ এবং ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত ৬ জন মাদক কারবারিকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ ডিএমপির। এ সময় ৪-৫টি অবৈধ ও অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়।

মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত করা তার অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে। তিনি গণমাধ্যমকে যেকোনো সংবাদ প্রচারের আগে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট তুলে ধরার আহ্বান জানান। প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমসমূহকে যেকোনো সংবাদের সত্যতা যাচাইপূর্বক পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপটসহ তা প্রকাশের আহ্বান জানান।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira