জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বাদী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তায় দাফন করা হয়েছে। পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করায় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মতিঝিলে খরচ কম, তবু আগারগাঁও যেতে চায় বীমা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে ৬ কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন। পরে পুলিশ প্রশাসনের আশ্বাসে স্থানীয় কয়েকজন এসে কবরটি পুনঃখননের কাজ সম্পন্ন করে দেন।
এর আগে শনিবার বিকেলে পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে মরদেহ আনা হলে স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে গার্ড অব অনার দেওয়ার তীব্র বিরোধিতা করেন। আড়াই দিন বন্ধের পর চালু বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
পিরোজপুর পৌর জামায়াতের আমির আবদুর রাজ্জাক শেখ দাবি করেন যে, মানিক পশারী ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে শেষ পর্যন্ত মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি পুলিশ লাইনসে নেওয়া হয় এবং সেখানেই গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
দাফন প্রক্রিয়া নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় পিরোজপুর সদর উপজেলার চিথলিয়া গ্রামে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন যে, দাফনের জন্য খনন করা কবর একদল লোক ভরাট করে দিয়েছিল। নিহতের বোন হাসিনা বেগম জানান, কবর ভরাটের সময় জড়িতরা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিলেন। তবে এই ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের কোনো জ্যেষ্ঠ নেতার সম্পৃক্ততার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রশাসনের উদ্যোগ ও স্থানীয়দের সহায়তায় পুনরায় কবর খনন করে রোববার রাত ১টার দিকে মরদেহ বাড়িতে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ১১ আগস্ট পিরোজপুরের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে জামায়াতের তৎকালীন নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা করেন মানিক পশারী। রংপুরে অটোরিকশা চুরির অভিযোগে ২ জনকে পিটিয়ে হত্যা।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন, যিনি ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর মানিক পশারীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হলে তিনি প্রাণভয়ে গোপালগঞ্জে আশ্রয় নিয়েছিলেন। বার্সেলোনাকে হারাতে মরিনহোর রিয়ালের ৫ চ্যালেঞ্জ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভয়ে স্থানীয়রা কেউ এগিয়ে না আসায় রাতে মানিক পশারীর পরিবারের সদস্যরা কবরটি পুনঃখনন শুরু করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মানিক পশারীর বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। প্রাণ বাঁচাতে তিনি বাড়ি ছেড়ে গোপালগঞ্জে আশ্রয় নেন।
এর আগেও তিনি পুলিশি সুরক্ষার আওতায় ছিলেন। বাড়িওয়ালার লাঠির আঘাতে ভাড়াটিয়া নিহত।
Leave a Reply