1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
November 7, 2026, 9:49 am

মধ্যপ্রাচ্য সংকট সমাধানে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ালো চীন

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Saturday, November 7, 2026
  • 15 দেখা হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে চীন। ফের যুদ্ধ বাধলে মধ্যপ্রাচ্যের যেসব স্থাপনায় হামলা চালাতে পারে ইরান।

বেইজিং এখন ইরান ও ওমানের মতো দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা কমানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। গত সোমবার বেইজিং সফররত ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী বাঘেরি কানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। সেই আলোচনায় ওয়াং ই স্পষ্টভাবে জানান, সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে কেবল আলোচনার পথেই সমাধান সম্ভব। একই সঙ্গে তিনি ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রতি চীনের সমর্থন পুনরায় ব্যক্ত করেন এবং এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নীতিকে দায়ী করেন। সোমবার (২ নভেম্বর) বেইজিংয়ে ইরানের এক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিককে রাষ্ট্রীয় সফরে স্বাগত জানিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ডেপুটি সেক্রেটারি আলী বাঘেরি কানির সঙ্গে বৈঠকে জানান, আঞ্চলিক সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার পর ‘সংলাপিই এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র সম্ভাব্য পথ’। তবে বেইজিং চলমান প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করতে চায় এবং অগ্রগতির অভাবে তারা ক্রমশ অধৈর্য হয়ে উঠছে। ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ২৬ মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ক্ষতি শত কোটি ডলারের।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যদিও ইরান চীনের অন্যতম বড় বাণিজ্যিক অংশীদার এবং অপরিশোধিত তেলের প্রধান ক্রেতা, তবুও সাম্প্রতিক সময়ে বেইজিংয়ের সক্রিয়তা কিছুটা স্থবির ছিল। তবে চলমান সংকট মোকাবিলায় চীন এখন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে চায়। এর অংশ হিসেবে চলতি মাসে চীনের বিশেষ দূত ঝাই জুন ইরান, ওমান ও সৌদি আরব সফর করবেন বলে জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

একই সময়ে ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিক চীন সফরে এসে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ১৯৭৮ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর এটি ওমানের কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের প্রথম চীন সফর। এই সফরে দুই দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সবুজ শক্তি এবং সরবরাহ চেইনসহ মোট ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও একটি কারেন্সি সোয়াপ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের ‘নতুন ঐতিহাসিক শুরুর বিন্দু’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলকে কখনোই বড় শক্তির ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্র বানানো উচিত নয়। ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত সমাধানের লক্ষ্যে চীন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বৃদ্ধি করেছে।

বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে ওমানের কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। হরমুজ প্রণালির বাইরে অবস্থিত দেশটির বন্দরগুলো নৌ-নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে। দীর্ঘকাল ধরে এই পথ দিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি রপ্তানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হতো। চীন ও ওমান তাদের যৌথ বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরার তাগিদ দিয়েছে। সংঘাতের ফলে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ওমানের এই কৌশলগত অবস্থান এখন উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira