
মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) অনন্য এক কীর্তি গড়লেন লিওনেল মেসি। লিগের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার গোল্ডেন বুট জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করলেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। চলতি মৌসুমে মোট ২৬টি গোল করে তালিকার শীর্ষে থেকে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন তিনি। মেসির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এফসি ডালাসের ফুটবলার পিটার মুসা, যিনি মৌসুমে ২২টি গোল করেছেন। নেতানিয়াহু নয়, সরকার গঠনে আইসেনকটকে বেছে নিলেন ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট।
নিয়মিত মৌসুমের শেষ ম্যাচে ইন্টার মায়ামি মুখোমুখি হয়েছিল শার্লটের। ম্যাচটি ৩-৩ গোলে ড্র হয়েছে। গোল না পেলেও মায়ামির হয়ে নিজের দায়িত্ব দারুণভাবে পালন করেছেন মেসি। ম্যাচের ১৪তম মিনিটে তার নেওয়া চমৎকার এক কর্নার শার্লটের লুকা ডি লা তরে বিপদমুক্ত করতে গিয়ে ভুল করেন, যার সুযোগ নিয়ে গোল করেন ইয়ান ফ্রাই। এরপর ৩৩তম মিনিটে মেসির নিখুঁত কর্নার থেকে দারুণ এক হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লুইস সুয়ারেজ। ৩৩তম মিনিটে মেসির নেওয়া আরও একটি নিখুঁত কর্নার থেকে দারুণ হেডে ব্যবধান ২-০ করেন লুইস সুয়ারেজ।
প্রথমার্ধেই রদ্রিগো ডি পলের গোলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে সহজ জয়ের পথেই ছিল ইন্টার মায়ামি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় শার্লট। লিয়েল আবাদার জোড়া গোল এবং ৯০তম মিনিটে রদোলফো আলোকের গোলে সমতায় ফেরে সফরকারীরা। যোগ করা সময়ে মেসির একটি দূরপাল্লার শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে জয় বঞ্চিত হয় মায়ামি।
এই ড্রয়ের পরও ইস্ট কনফারেন্সে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে ইন্টার মায়ামি। এই অবস্থানের ফলে এমএলএস প্লে-অফের প্রথম দুই রাউন্ডে ঘরের মাঠে খেলার সুবিধা নিশ্চিত করেছে দলটি। প্লে-অফ পর্বে মেসির মায়ামি মুখোমুখি হবে কলম্বাস ক্রুর। এই ড্রয়ের পর ইস্ট কনফারেন্সে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে ইন্টার মায়ামি।
অন্যান্য সংবাদের মধ্যে, দেশে এলপিজির চাহিদার ৮৫ শতাংশই পূরণ করছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো। দেশের এলপিজির ৮৫ শতাংশই আসছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান থেকে।
এছাড়া মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা গেছে, যেখানে অনেকেই নতুন নিয়মে সুযোগ না পাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। এদিকে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সেমিফাইনালের পথে এগিয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর জন্য সোমবার হামজা ও ফারহান দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন। এছাড়া, জাতীয় দলের ক্রিকেটার হৃদয়ের টেস্ট সামর্থ্য সম্পর্কে ২০২২ সালেই পূর্বাভাস দিয়েছিলেন হাবিবুল বাশার সুমন। সিলেট থেকে / হৃদয়ের টেস্ট সামর্থ্য ২০২২ সালেই টের পেয়েছিলেন হাবিবুল।
Leave a Reply