1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
November 6, 2026, 9:48 am

তিন ইরানি পাইলটকে আটকের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর: কাতার

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Sunday, August 16, 2026
  • 75 দেখা হয়েছে

ইরানের তিন পাইলটকে ছয় মাস ধরে আটক রাখার অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে স্পষ্টভাবে নাকচ করেছে কাতার। তেহরানের দাবি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের সূচনালগ্নে সামরিক অভিযানের সময় কাতারের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার হামলায় দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর ওই পাইলটদের আটক করা হয়। তবে দোহা জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং পাইলটদের আটকের অভিযোগ বাস্তবতার সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধের শুরুর দিকে সামরিক অভিযান চালাতে গিয়ে ইরানি দুটি যুদ্ধবিমান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আঘাতে ভূপাতিত হওয়ার পর পাইলটরা বিমান থেকে বেরিয়ে আসেন এবং কাতারের একটি সামরিক ঘাঁটিতে তাদের আটক করা হয়। আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির (আইসিআরসি) প্রধানের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ইরানের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরজাদেহ অভিযোগ করেন, পাইলট জাভাদ সালেহি, আবদুল মাজিদ দাশতিয়ান ও ইমরান বেহরোশিয়ান গত ছয় মাস ধরে কাতারে বন্দি রয়েছেন।

ইরানি জেনারেলের দাবি, একই অভিযানে নিহত চতুর্থ পাইলট মাজিদ কাজেমির মরদেহ ইরানের কাছে ফেরত দেয়া হয়েছে। চলতি বছরের ২ মার্চ যুদ্ধের তৃতীয় দিনে ওই অভিযানে তিনি নিহত হন। ইরানের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত চিঠিতে কাতারের বিরুদ্ধে ওই তিন পাইলটের অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়। চিঠিতে আরও দাবি করা হয়, ওই তিন পাইলটকে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয়া হয়নি এবং তাদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা আন্তর্জাতিক আইন ও বিধির পরিপন্থি।

তবে ইরানের এই দাবি ‘সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার’ করেছে কাতার। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ড. মাজেদ বিন মোহাম্মদ আল-আনসারি এক বিবৃতিতে জানান, অঞ্চলে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য ছড়ানোয় কাতার সরকার বিস্ময় প্রকাশ করেছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, কাতারের আকাশসীমা লঙ্ঘনের পর এবং আকাশযানগুলোর বিপজ্জনক গতিপথ নিশ্চিত হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পাইলটদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল।

ড. আল-আনসারি জানান, কোনো সাড়া না পাওয়ায় আন্তর্জাতিক আইন ও সামরিক প্রোটোকল অনুসরণ করে ভূখণ্ড রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, কাতারের অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল পেশাদারিত্বের সাথে পাইলটদের দেহাবশেষ উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করেছে। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে উদ্ধার হওয়া একজন পাইলটের দেহাবশেষ হস্তান্তরের বিষয়ে ইতোমধ্যে ইরানি কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে।

মুখপাত্র আল-আনসারি জানান, উদ্ধার অভিযানের পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও বিস্তারিত সরাসরি পর্যবেক্ষণের জন্য কাতার সরকার গত এপ্রিল মাসে একটি ইরানি প্রতিনিধিদলকে দোহা সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। তবে ইরান এখনো সেই আমন্ত্রণে কোনো সাড়া দেয়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, কাতারের আকাশসীমা লঙ্ঘনের পর কিছু ইরানি পাইলটকে আটক বা বন্দি করে রাখার দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। কাতার সরকার বরাবরই আন্তর্জাতিক আইন ও প্রোটোকল মেনে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পরিশেষে, কাতার সরকার এই ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। দোহা মনে করে, প্রকৃত ঘটনা যাচাইয়ের জন্য ইরানের উচিত তাদের দেয়া আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে প্রতিনিধিদল পাঠানো।

চিঠিটি আইসিআরসি প্রধান মিরজানা স্পোলিয়ারিচের কাছে পাঠানো হয়েছিল।

তবে তাদের পক্ষ থেকে কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মুখপাত্র আল আনসারি কাতার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের প্রকৃত ব্যাখ্যা তুলে ধরেন

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira