দুর্নীতি, দুঃশাসন ও বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই জামায়াতে ইসলামীর প্রধান লক্ষ্য বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি স্পষ্ট করেন, একটি পূর্ণাঙ্গ মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তাদের রাজপথের লড়াই অব্যাহত থাকবে। এই লক্ষ্য অর্জনে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে তাদের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশ একটি মানবিক দেশ না হবে, দুর্নীতিমুক্ত, দুঃশাসনমুক্ত ও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে। এ লড়াইয়ে আমরা দেশের মানুষকে পাশে চাই।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ চলাকালে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া গোলচত্বরে আয়োজিত এক পথসভায় জামায়াত আমির এসব কথা বলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবি আদায়ের অংশ হিসেবে জোটের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অধীনে এ দিন সেখানে জামায়াতে ইসলামীসহ শরীক দলগুলোর বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী জমায়েত হন। গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভাটিয়াপাড়া গোলচত্বরে জামায়াতে ইসলামীসহ জোটের বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন।
পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, জনগণের মৌলিক অধিকার পুনরুদ্ধারে তারা সাত দফা দাবি নিয়ে রাজপথে নেমেছেন। তবে জাতীয় প্রয়োজন ও জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে এ কর্মসূচি যেকোনো সময় এক দফার আন্দোলনে রূপ নিতে পারে। সে রকম পরিস্থিতির জন্য দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি। সেই এক দফার আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকতে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। দেশের প্রয়োজনে এবং জনতার স্বার্থে যেকোনো মুহূর্তে এই সাত দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে।
Leave a Reply