নেপালে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যার ১০ দিন পর এক নারী ও এক চীনা নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার নুয়াকোট জেলার একটি বিধ্বস্ত বাড়ি এবং ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, আপার ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গের প্রায় ২২৫ মিটার গভীর থেকে এক চীনা নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নেপালি সেনাবাহিনী ও আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারীদের যৌথ প্রচেষ্টায় লুহাইতাও নামের ওই ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া যায়। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজারাম বাসনেত জানান, তাকে নিরাপদে বের করে আনার পর বর্তমানে শারীরিক পরীক্ষা ও চিকিৎসা চলছে।
জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গটিতে টানা ১০০ ঘণ্টা ধরে উদ্ধার অভিযান চলছে। এর আগে শুক্রবার সুড়ঙ্গের প্রায় ৪০ মিটার ভেতর থেকে সঞ্জয় শাহ ও কবির মহাজন নামের দুই কর্মীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। আজকের এই উদ্ধারের ফলে সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকে পড়া অন্যদের জীবিত পাওয়ার আশা আরও জোরালো হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশটির সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (এপিএফ) পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিদুর পৌর এলাকার আনন্দ শ্রেষ্ঠার বাড়িতে থাকতেন ওই নারী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গভীর সুড়ঙ্গ থেকে নেপালি ২ শ্রমিককে যেভাবে উদ্ধার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেপালে বন্যা / বিদুরের ১৫টির মধ্যে ৫টি পানির উৎসে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া, বাড়ছে রোগের ঝুঁকি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ছবির দেয়াল থেকে নিখোঁজ প্রিয়জনকে খোঁজা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বন্যার্তদের সহায়তায় নেপালে সোনু সুদ।
Leave a Reply