1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
November 6, 2026, 6:32 am

ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন: মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ বিশেষজ্ঞের

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Friday, August 14, 2026
  • 124 দেখা হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক সুস্থতা ও রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। হোয়াইট হাউসের চিকিৎসকরা ৮০ বছর বয়সী ট্রাম্পকে ‘চমৎকার স্বাস্থ্যের’ অধিকারী বলে দাবি করলেও, তাঁর শারীরিক বিভিন্ন উপসর্গ এবং প্রকাশিত স্বাস্থ্য প্রতিবেদনের অসংগতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন খ্যাতনামা মার্কিন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জোনাথন রেইনার। তিনি জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক এবং সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনির ২৭ বছরের ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ডা. রেইনার দ্য নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক নিবন্ধে ট্রাম্পের স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ কিছু অস্পষ্টতা তুলে ধরেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো প্রেসিডেন্টের হাতে ফুটে ওঠা কালশিটে দাগ। হোয়াইট হাউস একে ঘন ঘন হাত মেলানো ও অ্যাসপিরিন সেবনের ফল হিসেবে ব্যাখ্যা করলেও, ডা. রেইনারের মতে, উভয় হাতের সমান বিবর্ণতা ও কালশিটে দাগকে কেবল এই সাধারণ কারণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যথেষ্ট নয়।

প্রেসিডেন্টের পা ফুলে যাওয়া বা ‘ক্রনিক ভেনাস ইনসাফিশিয়েন্সি’ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এই বিশেষজ্ঞ। গত মে মাসের আনুষ্ঠানিক স্বাস্থ্য প্রতিবেদনে এই সমস্যার কোনো উল্লেখ ছিল না, অথচ হঠাৎ করেই এটিকে দীর্ঘস্থায়ী রোগ হিসেবে নথিভুক্ত করার বিষয়টি অস্পষ্ট রয়ে গেছে। এছাড়া বিভিন্ন জনসভা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের অতিরিক্ত তন্দ্রাচ্ছন্নতা বা জেগে থাকতে কষ্ট হওয়ার বিষয়টিও তাঁর দৃষ্টিতে কোনো গভীর চিকিৎসাগত সমস্যার লক্ষণ হতে পারে, যার জন্য জরুরি স্বাস্থ্য পরীক্ষা প্রয়োজন।

২০২৫ সালের অক্টোবরে ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে ট্রাম্পের হৃদ্‌যন্ত্র ও পেটের উন্নত ইমেজিং পরীক্ষা করানো হয়েছিল। প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. শন বারবাবেলা একে সাধারণ আগাম পরীক্ষা হিসেবে দাবি করলেও, ঠিক কী কারণে এত বিস্তৃত ও জটিল পরীক্ষার প্রয়োজন পড়েছিল, তা জনসমক্ষে খোলাসা করা হয়নি। এই রহস্যময় পরীক্ষাগুলো নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

ডা. রেইনার স্বীকার করেছেন যে, রাষ্ট্রপতির সব গোপনীয় চিকিৎসা তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা নিরাপত্তার স্বার্থে সম্ভব নয়। তবে সাধারণ ভোটারদের আশ্বস্ত করতে এবং দায়িত্ব পালনের যথার্থতা নিশ্চিত করতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী অনুযায়ী কংগ্রেসের মাধ্যমে একটি ‘স্বাধীন চিকিৎসা প্যানেল’ গঠনের জোর প্রস্তাব দিয়েছেন। তাঁর মতে, মূল বিষয়টি কোনো ব্যক্তির গোপনীয়তা লঙ্ঘন নয়, বরং বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে একজন ব্যক্তি শারীরিকভাবে দায়িত্ব পালনে সক্ষম কি না—সে বিষয়ে আমেরিকার জনগণ কতটুকু নিশ্চিত হতে পারছে, সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira