
এবারের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের সবকটিতেই পাসের হার নিম্নমুখী। ফলাফলে সবচেয়ে ভালো করেছে ঢাকা বোর্ড, যেখানে পাসের হার ৬১.৮০ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বরিশাল বোর্ড, সেখানে পাস করেছেন মাত্র ৪৪.৮৪ শতাংশ শিক্ষার্থী। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন পাসের বোর্ডের মধ্যকার ফারাক দাঁড়িয়েছে ১৬.৯৬ শতাংশে, যা আগের বছর ছিল ১৫.৭৬ শতাংশ। আজ শনিবার প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকা বোর্ডেও পাসের হার কমেছে। এর আগে প্রতিটি বোর্ডের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র ব্যবহার করা হতো। ১৫ পদে ৯০ জনকে নিয়োগ দেবে আশুগঞ্জ পাওয়ার, আবেদন যেভাবে। এইচএসসি-সমমানের ফল প্রকাশ ১১টায়।
বরিশাল বোর্ডে পাসের হারে বড় ধরনের ধস নেমেছে। গত বছর শিক্ষা বোর্ডটিতে পাসের হার ছিল ৬২.৫৭ শতাংশ, যা ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তবে এবার পাসের হার ১৭.৭৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪৪.৮৪ শতাংশে। অন্যদিক ঢাকা বোর্ডে গত বছর ৬৪.৬২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করলেও এবার তা কমে ৬১.৮০ শতাংশে নেমেছে।
নয়টি সাধারণ বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন।
এসব বোর্ডে পাসের সামগ্রিক হার ৫১.৬২ শতাংশ, যা আগের বছরে ছিল ৫৭.১২ শতাংশ।
এছাড়া জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও অর্ধেকের কাছাকাছি নেমে এসেছে।
এবার ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন, গত বছর যা ছিল ৬৩,২১৯ জন।
জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৯ হাজার ৭২১ জন ছাত্রী এবং ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র। আগের বছর ৩৭ হাজার ৪৪ জন ছাত্রী ও ৩২ হাজার ৫৩ জন ছাত্র এই সাফল্য পেয়েছিলেন।
অন্যান্য সাধারণ বোর্ডের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ (গত বছর ছিল ৫৯.৪০%), দিনাজপুর বোর্ডে ৪৫.৯৮ শতাংশ (গত বছর ছিল ৫৭.৪৯%), কুমিল্লা বোর্ডে ৪৮.০৪ শতাংশ (গত বছর ছিল ৪৮.৮৬%) এবং যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪.৯২ শতাংশ (গত বছর ছিল ৫০.২০%)। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫২.০৭ শতাংশ (গত বছর ছিল ৫২.৫৭%), সিলেট বোর্ডে ৫০.৯০ শতাংশ (গত বছর ছিল ৫১.৮৬%) এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ (গত বছর ছিল ৫১.৫৪%) నమోদ হয়েছে।
মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড যুক্ত করে ১১টি বোর্ডের সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.১২ শতাংশে, যা ২০২৫ সালের ৫৮.৮৩ শতাংশের চেয়ে বেশ কম। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬১.০৭ শতাংশ, গত বছর যা ছিল ৭৫.৬১ শতাংশ। এ বোর্ডে ৩,২৫০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে ৪৯.৪৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন (গত বছর ছিল ৬২.৬৭%), যার মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৮৬ জন। উল্লেখ্য, এ বছরই প্রথমবারের মতো নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এইচএসসি-সমমান / মাদ্রাসায় ৩২৫০ জিপিএ-৫, কারিগরিতে ৮৮৬। জবিতে গণমাধ্যমে জেন্ডার সংবেদনশীল ভাষা ব্যবহারে সেমিনার।
Leave a Reply