1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
November 6, 2026, 8:12 am

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ইসরাইলের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধানের

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Thursday, October 15, 2026
  • 25 দেখা হয়েছে

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে প্রায় ১০ লাখ ডলার বা তিন মিলিয়ন শেকেল ক্ষতিপূরণ চেয়ে মানহানির মামলা করেছেন দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের সাবেক প্রধান রোনেন বার। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার আগে বিভিন্ন সময়ে সতর্কবার্তা প্রদান করা সত্ত্বেও নেতানিয়াহু তা উপেক্ষা করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। বারের দাবি, নিজের নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায় এড়াতে নেতানিয়াহু পরিকল্পিতভাবে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন। গাজায় তিনি ‘যেকোনো মূল্যে শান্ত’ বজায় রাখার নীতি অনুসরণ করছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন বার।

মামলার নথিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, হামলার আগের রাত থেকেই শিন বেত কর্মকর্তারা গোয়েন্দা তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করছিলেন। ৬ অক্টোবর রাতে হামাসের অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ডের তথ্য সেনাবাহিনীর সঙ্গে ভাগ করা হয়। এরপর ৭ অক্টোবর ভোর ৩টা ৩ মিনিটে সতর্কবার্তা এবং ৩টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিবালয়কে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল। রোনেন বার জানান, হামলার ঝুঁকি সম্পর্কে তিনি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি চিঠিতেই সতর্ক করেছিলেন যে, অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অস্থিতিশীলতা শত্রুদের সাহসী করে তুলছে। এমনকি জুলাই মাসেও ব্যক্তিগতভাবে নেতানিয়াহুকে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। এরপর সকাল ৬টার কিছু পর রোনেন বারের চিফ অব স্টাফ তার সামরিক সচিবকে বিষয়টি অবহিত করেন। মামলার নথিতে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের শুরুর দিকে হামাসের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা নিয়েও একাধিক সতর্কবার্তার উল্লেখ রয়েছে।

নেতানিয়াহু অবশ্য অভিযোগ করেছেন যে, বার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছিলেন এবং সেনাদের সতর্ক করতে বা নোভা সংগীত উৎসবে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের সরিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এছাড়া তিনি দাবি করেছেন, বার চাইলে নির্ধারিত সুরক্ষিত ফোনের মাধ্যমে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারতেন। জবাবে বার পাল্টা অভিযোগ করেন, নেতানিয়াহু তাকে ব্যক্তিগত ফোন নম্বর কখনও দেননি। নেতানিয়াহু আরও দাবি করেছেন, তার কাছে প্রায় এক হাজার নথি রয়েছে যা বারের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করবে।

হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করার প্রস্তাব বারবার প্রত্যাখ্যান এবং গাজায় কাতারের অর্থ প্রবেশের অনুমতি দেয়া নিয়েও নেতানিয়াহুর সমালোচনা করেছেন রোনেন বার। মামলার ভাষ্যমতে, মানবিক সহায়তার নামে হামাসের সামরিক শাখার কাছে অর্থ পৌঁছানোর ঝুঁকি থাকলেও প্রধানমন্ত্রী সেটি অব্যাহত রেখেছিলেন। বার স্বীকার করেছেন যে, হামলার সময় ও ব্যাপকতা সম্পর্কে আগাম সঠিক পূর্বাভাস দিতে শিন বেত ব্যর্থ হয়েছিল, যার দায় তিনি গ্রহণ করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মার্চে নেতানিয়াহুর সরকার আস্থার সংকটের অজুহাতে রোনেন বারকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সে সময় শিন বেত নেতানিয়াহুর সহযোগীদের বিরুদ্ধে কাতারের স্বার্থে কাজ করার তদন্ত করছিল। যদিও নেতানিয়াহুর দপ্তর এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পরবর্তীতে ইসরাইলের সুপ্রিম কোর্ট বারের বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করলে তিনি জুনে পদত্যাগ করেন। ওই হামলায় ১২০০ ইসরাইলি নিহত ও ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল, যার প্রতিক্রিয়ায় শুরু হওয়া সামরিক অভিযানে গাজায় ৭৪ হাজার ৩০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira