1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
November 6, 2026, 9:02 am

ভারত থেকে সন্ত্রাসীদের আশ্রয় না পাওয়ার প্রত্যাশা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Tuesday, September 1, 2026
  • 82 দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো সন্ত্রাসী যেন ভারতের ভূখণ্ডে আশ্রয় না পায়, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। মঙ্গলবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ভারত থেকে পালিয়ে আসা কোনো সন্ত্রাসীকে যেমন বাংলাদেশ আশ্রয় দেবে না, তেমনি বাংলাদেশ থেকে পালানো কোনো সন্ত্রাসী যেন দিল্লি বা ভারতের অন্য কোনো সার্বভৌম ভূখণ্ডে আশ্রয় না পায়, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।

সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট একটি কনফারেন্স বাতিল করার সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি বজায় থাকলে দুই দেশের মধ্যে সদিচ্ছা তৈরির পথ আরও সুগম হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির জানান, এখনো সফরের কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারিত হয়নি। পারস্পরিক সম্মান ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে এবং দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় ও উপস্থিতির সুযোগ বুঝে সফরের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) বৈঠকের আগে এই সফর হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের মতো একটি ঘটনা বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করেছিল, যা নিয়ে বাংলাদেশ স্পষ্টভাবে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে। এখন দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করবেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক বিদ্যমান এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও জোরদার করা হবে।

বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে হুমায়ুন কবির জানান, দেশের এভিয়েশন খাতের সক্ষমতা বাড়াতে এবং বাংলাদেশকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের একটি এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার নীতিগতভাবে উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে বাংলাদেশের ৭০ থেকে ৮০টি বা তারও বেশি উড়োজাহাজের প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, বর্তমান চাহিদার তুলনায় বহর ছোট হওয়ায় নতুন রুট চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে বোয়িং বা এয়ারবাস কেনা জরুরি হয়ে পড়েছে।

বোয়িং কেনার সিদ্ধান্ত কোনো চাপের মুখে নেয়া হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী তা নাকচ করে দেন। তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণ দেশের এভিয়েশন খাতের প্রয়োজন ও সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে নেয়া সিদ্ধান্ত। দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী ধাপে ধাপে উড়োজাহাজ কেনা হবে, যাতে দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব আয় ও যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং বাংলাদেশ এভিয়েশন খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক থাকা দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, তাদের বহরে ১৫০টিরও বেশি উড়োজাহাজ রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাংলাদেশ বৈদেশিক সম্পর্কে একটি ভারসাম্য বজায় রাখছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira