1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
November 5, 2026, 4:28 am

প্রেক্ষাপট: র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Monday, August 31, 2026
  • 46 দেখা হয়েছে

এশিয়ার নোবেল হিসেবে খ্যাত মর্যাদাপূর্ণ র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশের রুনা খান। তিনি বেসরকারি সংস্থা ‘ফ্রেন্ডশিপ’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক। সোমবার ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় র‍্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন ২০২৬ সালের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে। এই ঘোষণার মাধ্যমে ৬৮তম র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার উৎসবের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। আগামী ১৫ নভেম্বর ম্যানিলায় আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

২০০২ সালে রুনা খান ফ্রেন্ডশিপ প্রতিষ্ঠা করেন। সংস্থাটি একটি আন্তর্জাতিক সামাজিক উদ্দেশ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। গত দুই দশকের বেশি সময় ধরে প্রতিষ্ঠানটি দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, পরিবেশগত সংকট মোকাবিলা এবং চরম দারিদ্র্য দূরীকরণে নিরলস কাজ করছে। ফ্রেন্ডশিপের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাস্তবতাভিত্তিক উন্নয়ন সমাধান, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সাহসী নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে রুনা খানকে এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।

এ বছর রুনা খানের পাশাপাশি আরও দুই ব্যক্তি এই পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁরা হলেন সিঙ্গাপুরের বিশিষ্ট কূটনীতিক, আইনজীবী ও লেখক টমি কোহ এবং মিয়ানমারের মানবাধিকারকর্মী ও সাবেক রাজনৈতিক বন্দী বো চি। র‍্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের ভাষ্যমতে, ২০২৬ সালের বিজয়ীদের এমন কাজের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে যা ফিলিপাইনের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের নেতৃত্বের চিরস্থায়ী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটায়। অন্যের সেবায় আত্মনিয়োগ, সম্প্রদায়ের জন্য সুযোগ সৃষ্টি এবং মানুষকে স্বাবলম্বী করে তোলার মতো বিষয়গুলোকে এই পুরস্কারের মূল মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৫৭ সালে এক বিমান দুর্ঘটনায় ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসাইসাই মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একই বছর এই ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫৮ সাল থেকে পুরস্কার প্রদান শুরু হয়। প্রতিবছর ৩১ আগস্ট তাঁর জন্মদিনে ম্যানিলা থেকে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। আজ তাঁর ১১৯তম জন্মবার্ষিকী।

পুরস্কারটির বিবর্তন সম্পর্কে ফাউন্ডেশনের তথ্যে জানা যায়, ২০০৮ সাল পর্যন্ত এটি সরকারি সেবা, জনসেবা, সামাজিক নেতৃত্ব, সাংবাদিকতা-সাহিত্য-সৃজনশীল যোগাযোগকলা, শান্তি ও আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া এবং উদীয়মান নেতৃত্ব—এই ছয়টি শ্রেণিতে দেওয়া হতো। ২০০০ সালে উদীয়মান নেতৃত্ব শ্রেণিটি যুক্ত করা হয়। তবে ২০০৯ সাল থেকে পুরস্কারটি আর কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণিতে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলা, যেখানে সবাই, বিশেষ করে যাঁদের কাছে পৌঁছানো কঠিন, যাঁদের প্রয়োজনের বিষয়টি উপেক্ষিত, তাঁরা মর্যাদা ও আশা নিয়ে বেঁচে থাকার সমান সুযোগ পাবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারা যেসব জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করে, তাদের স্বার্থকে সব সময় অগ্রাধিকার দেয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০ বছরের বেশি সময় ধরে ফ্রেন্ডশিপের লক্ষ্য প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গুরুত্বপূর্ণ সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়া, পরিবেশগত সংকট, চরম দারিদ্র্য, বৈষম্য ও অবিচারের মতো ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখে প্রতিষ্ঠানটির এই লক্ষ্য এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ এক মর্মান্তিক উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় মারা যান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফোর্ড ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় এই শ্রেণির পুরস্কার প্রবর্তিত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০০৯ সাল থেকে শুধু এই ‘উদীয়মান নেতৃত্ব’ ছাড়া আর কোনো সুনির্দিষ্ট শ্রেণির মধ্যে আবদ্ধ নেই পুরস্কারটি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira