জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক ছাত্রীকে বাসে হয়রানি ও দুর্ব্যবহারের প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে ইতিহাস পরিবহনের ১২টি বাস আটকে রেখেছেন শিক্ষার্থীরা।
ভুক্তভোগী ছাত্রী জানান, গতকাল রোববার তিনি হেমায়েতপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার পথে বাসে ওঠেন।
নির্ধারিত ১০ টাকা ভাড়ার পরিবর্তে কন্ডাক্টর তার কাছে ২০ টাকা দাবি করেন এবং এ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। হেমায়েতপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ভাড়া ১০ টাকা হলেও ওই বাসের কন্ডাক্টর তার কাছ থেকে ২০ টাকা আদায় করেন।
ছাত্রীর অভিযোগ, গন্তব্যের আগেই তাকে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বাস থামানোর অনুরোধ জানালে বাসকর্মী তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং গায়ে হাত তোলার চেষ্টা করেন। পরে বাস থেকে নামার সময় ওই কর্মীর পাশাপাশি অন্যদের দ্বারাও তিনি গালিগালাজের শিকার হন। তার অভিযোগ, এরপর সুপারভাইজার বাসটি নির্ধারিত জায়গায় না থামিয়ে তাকে নেমে যেতে বলেন। তিনি চিৎকার করলে সুপারভাইজার পিছিয়ে যান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. আবদুল হালিম জানান, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে বাস কোম্পানিকে ঘটনাটি জানানো হয়েছে।
কোম্পানির লোকজনই অভিযুক্ত হেলপারকে শনাক্ত করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসে। শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তের বিচার ও নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার দাবিতে বাসগুলো অবরুদ্ধ করে রাখেন।
প্রক্টর আরও বলেন, ‘ছাত্রীর অনুরোধের প্রেক্ষিতে কোনো জরিমানা ছাড়াই আমরা বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের চেষ্টা করছি। অভিযুক্ত হেলপার ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে রাজি হয়েছেন।’ বর্তমানে দুজন সহকারী প্রক্টরকে বিষয়টি মীমাংসার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
Leave a Reply