1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
November 5, 2026, 3:28 am

১০ এয়ারবাস কেনার পরিকল্পনা বিমানের, জোর দিচ্ছে বহর সম্প্রসারণে

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Tuesday, September 29, 2026
  • 44 দেখা হয়েছে

দেশের বাজারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানো এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে এবার ১০টি এয়ারবাস উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি জানান, প্রস্তাবিত এই তালিকায় চারটি এ৩৫০-৯০০ ওয়াইড-বডি এবং ছয়টি এ৩২১নিও ন্যারো-বডি উড়োজাহাজ রয়েছে। এসব উড়োজাহাজ কেনার সঙ্গে কোনো ভূরাজনৈতিক প্রভাব নেই বরং একটি টেকসই মিশ্র বহর গড়াই মূল উদ্দেশ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন। হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকার দুঃখিত ও বিব্রত: জাহেদ উর রহমান। এক্সপ্লেইনার / যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কে ভাটার টান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জিডিপি ইথিওপিয়ার চেয়ে বেশি এবং দেশের বিমানবন্দরগুলোতেও যাত্রীর চাহিদা বেশি।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার একটি সম্পূরক চুক্তি সই করেছে বিমান। এই চুক্তিতে পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ওয়াইড-বডি এবং ছয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর আগে গত ৩০ এপ্রিল ১৪টি বোয়িং কেনার যে চুক্তি হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতায়ই এই সম্পূরক চুক্তিটি করা হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হলো, যার মধ্যে ১৫টি ওয়াইড-বডি ও ১০টি ন্যারো-বডি জেট রয়েছে। ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৪২। রাশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, অতিরিক্ত ১১টি উড়োজাহাজও ৩০ এপ্রিলের চুক্তিতে নির্ধারিত দামেই কেনা হবে। এর মধ্যে রয়েছে দুটি বি৭৮৭-৯, ১৩টি বি৭৮৭-১০ এবং ১০টি বি৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট।

চুক্তি অনুযায়ী বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২০৩১ সালের নভেম্বর থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে এসব উড়োজাহাজ পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে সরকার ২০২৭-২৮ সালের মধ্যেই অন্তত একটি উড়োজাহাজ হাতে পাওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে। মন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, বিজি (বিমানের) নেটওয়ার্ক পরিকল্পনা অনুযায়ী উড়োজাহাজগুলোর আসনসংখ্যা এবং উড্ডয়নসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। বড় উড়োজাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মতো দীর্ঘ রুটে এবং ন্যারো-বডিগুলো স্বল্পপাল্লার রুটে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। আর উড়োজাহাজগুলো ধাপে ধাপে সরবরাহ করা হবে বলে অর্থ পরিশোধও করা হবে পর্যায়ক্রমে।

বহর বড় করার যৌক্তিকতা তুলে ধরে মন্ত্রী ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের উদাহরণ দেন। ছোট একটি এয়ারলাইনস থেকে ১৬৭টি উড়োজাহাজের বহর তৈরিতে তারা যে মডেল অনুসরণ করেছে, বিমানও তা অনুসরণ করছে। বর্তমানে দেশের মোট যাত্রী চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশের কিছু বেশি বিমান পরিবহন করতে পারে, বাকি ৮০ শতাংশ বিদেশি এয়ারলাইনসের দখলে। এই ঘাটতি পূরণে সরকারের এই উদ্যোগ সময়োপযোগী বলে তিনি মনে করেন। বর্তমানে বিমানের বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা মাত্র ১৯টি।

উড়োজাহাজ কেনার অর্থায়ন নিয়ে তিনি জানান, বিমান একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে নিজস্ব আয় এবং উপযুক্ত অর্থায়ন ব্যবস্থার মাধ্যমেই এর মূল্য পরিশোধ করবে। এতে সরকারি বাজেটের ওপর সরাসরি কোনো চাপ পড়বে না। এছাড়া বিভিন্ন রুট থেকে আয় ও ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করেই এই পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে করোনাকালে কার্গো ফ্লাইটের ৮৮৬ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ে ব্যর্থ হয়েছিল বিমান, যা বিমানের আর্থিক সক্ষমতার একটি দিক উন্মোচন করে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira