1. admin@deshibanglatv.com : dbtvlipu :
  2. deshibanglatv@gmail.com : dtvbangla :
  3. deshibanglatv0@gmail.com : newsdesk :
November 5, 2026, 6:26 am

১৫ দিনের ব্যবধানে আবারও খোলা হলো লালন আখড়াবাড়ির দানবাক্স

প্রতিবেদকঃ
  • হালনাগাদ সময়ঃ Tuesday, October 27, 2026
  • 59 দেখা হয়েছে

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় অবস্থিত ফকির লালন শাহর আখড়াবাড়ির দানবাক্স ১৫ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো খোলা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দুটি দানবাক্স খুলে আট লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা পাওয়া গেছে। এর আগে ১০ অক্টোবর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দানবাক্স খুলে ছয় লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। গতকাল সোমবার দুপুরে দুটি দানবাক্স থেকে ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা পাওয়া গেছে। সেদিন পাওয়া গিয়েছিল ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা।

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জাকির হোসেনের উপস্থিতিতে আখড়াবাড়ি প্রাঙ্গণে সিলগালা ভেঙে বাক্সগুলো খোলা হয়। লালন একাডেমি ভবনের চারতলায় টানা তিন ঘণ্টা ধরে চলে টাকা গণনার কাজ। এই প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসন ও লালন একাডেমির কার্যালয়ের অন্তত ১৫ জন কর্মী সহায়তা করেছেন। গণনা শেষে প্রাপ্ত অর্থ নিয়ম অনুযায়ী লালন একাডেমির ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রথমবার প্রকাশ্যে খোলা হলো লালন আখড়াবাড়ির দানবাক্স, সাড়ে ৩ ঘণ্টা চলে গণনা। গতকালের টাকাও একই হিসাবে জমা করা হয়েছে। সারা বছরই ভক্তরা মাজার দর্শনে এসে দানবাক্সে অর্থ দেন।

কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাইসুল ইসলাম জানান, লালন সাঁইয়ের উৎসবগুলোকে কেন্দ্র করে বছরে চারবার দানবাক্স খোলার নিয়ম রয়েছে। ১৩৬তম তিরোধান দিবসের সাত দিন পর নিয়ম অনুযায়ী এবার বাক্সগুলো খোলা হলো। প্রসঙ্গত, গত বছর ১৩৫তম তিরোধান দিবসের আগে চার লাখ ৯২ হাজার ২৬৪ টাকা এবং উৎসবের তিন দিন পর নয় লাখ ২২ হাজার ২৪২ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। গত বছর ১৩৫তম তিরোধান দিবসের আগে দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিল ৪ লাখ ৯২ হাজার ২৬৪ টাকা। তিরোধান দিবসের তিন দিন পর আবার খুলে পাওয়া যায় ৯ লাখ ২২ হাজার ২৪২ টাকা। গতকাল দানবাক্স খোলার সময় কুমারখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ারসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আখড়াবাড়ির সাধারণ ফকির-সাধুরা এই স্বচ্ছতা ও প্রকাশ্যে টাকা গণনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা চান, সংগৃহীত এই অর্থ যেন আখড়াবাড়ির যথাযথ উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারাও প্রশাসনের এই নতুন নিয়মকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। উল্লেখ্য, লালন একাডেমি ও জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় প্রতিবছর ছেঁউড়িয়ায় তিরোধান দিবস ও দোলপূর্ণিমা উপলক্ষে বড় আয়োজনের ব্যবস্থা থাকে, যেখানে দেশের নানা প্রান্ত থেকে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা ভিড় করেন। এসব অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশ থেকে হাজারো ফকির, সাধু, ভক্ত ও দর্শনার্থী আসেন। দানের অর্থের সঠিক ব্যবহার ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন আখড়াবাড়ির ফকির-সাধুরা। আখড়াবাড়িতে থাকা কল্পনা বলেন, ‘আমরা চাই দানবাক্সের টাকা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হোক।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ দেশি বাংলা টিভি — সর্বসত্ব সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira